প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার সাক্ষাৎ

ফন্ট সাইজ:

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সংসদ সচিবালয় কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াত আমীরের আগ্রহে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই সৌজন্য সাক্ষাৎটি অনুষ্ঠিত হয় বলে জানিয়েছে বিএনপি। দুই নেতা প্রায় ২০ মিনিটব্যাপী নানা বিষয়ে কথা বলেন বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং। এদিকে জামায়াতের তরফ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ এর পক্ষে দেয়া জনরায়কে সম্মান জানিয়ে তা বাস্তবায়নে সরকারকে উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

ওদিকে বিএনপি’র মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সাক্ষাতের ছবিসহ ‘প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্যতা, বিরোধীদলীয় নেতার সাক্ষাৎ’ শিরোনামে একটি পোস্ট দেয়া হয়েছে। ছবিতে দুই নেতার সঙ্গে বিএনপি’র মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকেও দেখা যায়।

পোস্টে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আজ (সোমবার) দুপুরে তার সংসদ সচিবালয় কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেতাকে তার কার্যালয়ে স্বাগত জানান। আলাপ শেষে প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেতাকে তার সংসদ সচিবালয়ের কার্যালয়ের দিকে খানিকটা পথ এগিয়ে দেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সৌজন্য ও শিষ্টাচার দেখে উপস্থিত সবাই প্রশংসা করেন।

ওই পোস্টে আরও বলা হয়, আজ দুপুর ১২টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজের জানাজার নামাজ পাশাপাশি দাঁড়িয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা। গত শনিবার সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে মারা যান দিলারা হাফিজ। তিনি একসময় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ছিলেন।

পোস্টে আরও জানানো হয়, দিলারা হাফিজের জানাজা শেষে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা একসঙ্গে হেঁটে সংসদ ভবনের দিকে এগোচ্ছিলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করেন বিরোধীদলীয় নেতা। সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সংসদ সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে শফিকুর রহমানকে আমন্ত্রণ জানান। দুই নেতা প্রায় ২০ মিনিট কথা বলেছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান (রুমন)। তিনি বলেন, সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা শেষে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর সংসদ সচিবালয়ের কার্যালয় ত্যাগ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেতাকে তার কার্যালয়ের দিকে খানিকটা পথ এগিয়ে দেন।

আতিকুর রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সবাইকে যথাযথ সম্মান ও সৌজন্যতা দেখান। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ও বিএনপি ক্ষমতা গ্রহণের পর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্যতা দেখে সাধারণ মানুষ মুগ্ধ হয়েছেন। আজ প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেতাকে তার কার্যালয়ের দিকে এগিয়ে দিয়ে তার স্বাভাবিক সৌজন্যের বহিঃপ্রকাশ ঘটালেন।’

সিরু

২ মাস আগে

যে দেশে স্বাধীনতা বিরোধী জঙ্গি রাজাকার আর জুলাই বাটপার সংসদে বিরোধী দল, সেই দেশের শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ সংস্কার প্রয়োজন।

নজরুল ইসলাম ভূইয়াঁ

২ মাস আগে

সরকার এবং বিরোধীদল মিলেই সংসদ ! দেশ গঠনে সরকারের যেমন দায়িত্ব, বিরোধীদলেরও সমান দায়িত্ব I
৫০ বৎসর এর বেশি হইয়া গেল কিন্তু দেশে একটা ন্যূনতম রাজনীতির শিষ্টাচার গড়ে উঠলোনা, এর চাইতে বাঙালির দুর্ভাগ্যের কি হতে পারে ?
যেখানে যাবেন, দুর্নীতি আর রাজনৈতিক পেশীশক্তির উম্মাদনা I বাংলাদেশ হতে চায় উন্নত কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন সিস্টেম পরিবর্তন I বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষ আর রাজনীতিবিদ ১৭.৫০ কোটি, কি মধু !

মাহমুদুল হাছান

২ মাস আগে

চমৎকার

Faiz Ahmed

২ মাস আগে

মির্জা ফখরুল গত ১৫/১৬ বছরে BAL একটা পশম তুলতে পারেনি, জুলাই আন্দোলন না হলে বিএনপি এতদিনে জাদুঘরে চলে যেত। তারেক জিয়া আপনি আপনার এই পরিষদের সাথে পেরে উঠবেনা। আপনার পরিষদ চাইছে, জামায়াত ও এনসিপি বা জুলাই যোদ্ধাদের চাপে রেখে সংসদ চালাবে, হবে না, এখন আর ২০২৪ সালে আমরা নই, আমরা এখন ২১০০ স্বপ্ন দেখি।
তাই জুলাই সনদ মেনে আপনি জনগনের কাতারে আসুন, অন্যথায় বিএনপি জাদু ঘরে যেতে সময়ের ব্যাপার মাত্র।

মাহমুদুল হাছান

২ মাস আগে

চমৎকার

মন্তব্য করুন