গত ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার গঠন করে। এ নির্বাচন বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের জন্য অপরিহার্য ছিলো। অন্যান্য নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারগুলোর অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোর মতোই অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলা যায়। এ নির্বাচনে বিজয়ের পরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক অভূতপূর্ব রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা করেন। তিনি এ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মত বিনিময় করেন যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আর কখনো দেখা যায়নি। তার এ পদক্ষেপ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও আস্থা তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার সফলতার অন্যতম প্রধান শর্ত হচ্ছে রাজনৈতিক রাজনৈতিক দল ও গ্রুপের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও আস্থা স্থাপন। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বার বার হোঁচট খাওয়ার অন্যতম প্রদান কারণ হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও আস্থার অভাব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এ সূচনা আস্থা সংকট দূরীকরণে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। এ নতুন গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির চর্চা টেকসই গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সহাযতা করতে পারে।
বিএনপি সরকার গঠনের পর সংসদীয় দলের প্রথম সভায় সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটির কোনো এমপি শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট গ্রহণ করবে না। এছাড়া, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা ও সরকারি অফিসগুলোতে নিয়মানুবর্তিতা প্রতিষ্ঠার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজেই সকাল ৯ টায় নিয়মিত অফিসে পৌঁছে যাচ্ছেন এবং ছুটির দিনেও অফিস করছেন। অন্যান্য প্রধানমন্ত্রীদের মতো ভিআইপি প্রটোকল বজায় না রেখে প্রধানমন্ত্রী ট্র্যাফিক সিগন্যাল মেনে অফিসে যাতায়াত করছেন ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে যোগদান করছেন। রাজধানীতে জনদুর্ভোগ এড়াতে প্রধানমন্ত্রী যাত্রাপথে সড়কের দুই ধারে পুলিশের অবস্থানের যে নিয়ম তাও বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন। এমনকি যানজটের কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তার গাড়িবহরের সংখ্যা ১৩-১৪ টি থেকে কমিয়ে চারটি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এ সাহসী পদক্ষেপ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নজিরবিহীন। বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে রাজনৈতিক এলিটদের মধ্যে সামন্ততান্ত্রিক মনোভাব (Feudalistic attitudes) রয়েছে। সামন্ততান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে রাজা ও প্রজার মনোভাব। শাসকগণ নিজেদেরকে রাজা আর জনগণকে প্রজা মনে করে। আমাদের দেশে জনগণকে প্রজা হিসেবে অভিহিত না করলেও রাজনৈতিক এলিটদের আচরণ ও কর্মকাণ্ডের মধ্যে তার প্রতিফলন ঘটে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ সামন্ততান্ত্রিক আচরণ ও চর্চা ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি শাসক ও শাসিতের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে এর মাধ্যমে তিনি আইন শাসন প্রতিষ্ঠার নজির সৃষ্টি করেছেন। এখানে ট্র্যাফিক আইনের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও সাধারণ জনগণ সকলে সমান তা প্রমাণ করছেন। আইনের শাসনের মূল বক্তব্য হচ্ছে আইনের চোখে সকলে সমান। অন্যদিকে, সকালে যথাসময়ে অফিসে উপস্থিত হয়ে তিনি একদিকে যেমন প্রশাসনের মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরে এনেছেন অন্যদিকে বাংলাদেশের সকল সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর মধ্যে সমানুবর্তিতা ও দায়িত্বশীলতার মনোভাব তৈরি করেছেন।
মাত্র এক মাসেই নির্বাচনী ইশতেহার ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অভূতপূর্ব দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই অল্প সময়ে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড চালু, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা চালু, কৃষিঋণ মওকুফ এবং দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছেন। ক্রীড়া উন্নয়ন এবং নতুন কুড়ি কর্মসূচি, রুগ্ন ও বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু এবং নারীর নিরাপত্তা ও তাদের জন্য পিংক বাস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঈদে ত্রাণ বরাদ্দ, বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা সীমিত করা, প্রাতিষ্ঠানিক জাকাত ব্যবস্থাপনা, বিদেশী বিনিয়োগ সহজীকরণ, শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস নিশ্চিতকরণ, রপ্তানিমুখী শিল্পে প্রণোদনা, বিদেশে উচ্চশিক্ষায় সহায়তা, স্কুলে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। এছাড়া পরিত্যক্ত ভবনে চিকিৎসাকেন্দ্র, ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা, রাষ্ট্রীয় ইফতার সীমিতকরণ, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের মতো প্রশংসনীয় পদক্ষেপ নিয়েছেন। সাধারণত প্রতিষ্ঠিত ও উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সরকারি কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও নীতি গ্রহণ করে থাকে। রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের সময় তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা ও জনগণের সামনে তার ব্যাখ্যা তুলে ধরে। জনগণের ভোটে যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয় ধরে নেওয়া হয় যে, সে দলের নির্বাচনী ইশতেহারে জনগণ ম্যান্ডেট দিয়েছে। তাই প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সরকারি কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও নীতি (Policy) গ্রহণ করে থাকে। তারা সে ম্যান্ডেট বাস্তবায়ন করা অপরিহার্য মনে করে।
আমাদের দেশে বিগত সরকারগুলো নির্বাচিত হওয়ার পর তাদের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী নীতি গ্রহণ করতে খুব কমই দেখা গেছে। নির্বাচিত হওয়ার পর নির্বাচনী ইশতেহার তাদের কাছে গুরুত্বহীন ছিলো। বিশেষ করে, বিগত ১৬ বছর আওয়ামী সরকার ভিশন ২১ ও ৪১ (Vision 21 and 41) ঘোষণা করলেও তাদের কাছে বিরোধী দলকে নিঃশেষ করে দেওয়ার জন্য বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের গুম, খুন ও নির্যাতনই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। তারা নীতি ও আইনের শাসনের চেয়ে জাল-জালিয়াত, দ্বিচারিতা, মিথ্যা ও প্রতারণা, ভয়-ভীতি প্রদর্শনকে তাদের সরকার পরিচালনা ও টিকে থাকার মূল অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক মাসের অনুসৃত কর্মকাণ্ডে আমরা আশার আলো দেখতে পাচ্ছি। তিনি প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক দেশের সরকারের মতো নির্বাচনী ইশতেহার দ্রুত গতিতে ও দৃঢ়তার সঙ্গে বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। তার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের শুরুতেই জনচেতনা, জনকল্যাণ ও টেকসই উন্নয়নের প্রতিফলন ঘটেছে। তার এই নীতিগুলোকে কয়েকভাবে বিশ্লেষণ করা যায়। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক এ্যারিস্টটল পলিটিকে সবচেয়ে উত্তম শাসনব্যবস্থা হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। পলিটির অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে জনচেতনা । অর্থাৎ এ ধরনের শাসন ব্যবস্থায় সরকার জনচেতনা বা জন আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে সরকার পরিচালনা করেন। তেমনিভাবে গত এক মাসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দ্রুত ও দৃঢ়তার সাথে বাস্তবাযনের মধ্যে পলিটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য জনচেতনার (Public Spirit) প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়। এছাড়া সামাজিক সুরক্ষা নীতি (যেমন ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষকদের ঋণ মওকুফ, ইমাম- মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা, নারী উন্নয়ন ও নিরাপত্তা) বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমাজে টেকসই উন্নয়ন, ইতিবাচক সামাজিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছেন। শান্তি (চবধপব) সাধারণত দুই ধরনের হয়। নেতিবাচক ও ইতিবাচক শান্তি (Negative and Positive Peace)। সৈন্য বা নিরাপত্তা বাহিনী অথবা শক্তি প্রয়োগ করে যুদ্ধ, সহিংসতা ও দ্বন্দ্ব (Conflict) বন্ধ করাকে নেতিবাচক শান্তি বলা হয়। আর দারিদ্র দূরীকরণ, নারী উন্নয়ন, অশিক্ষা ও কুশিক্ষা দূরীকরণ ও টেকসই উন্নয়নকে ইতিবাচক শান্তি বলা হয়। প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউনুস গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে দারিদ্র দূরীকরণ ও নারী উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য অর্থাৎ ইতিবাচক শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নভেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন। যাহোক, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি তৈরি করবে। বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের (Implant Climate Change) প্রভাব মোকাবেলায় সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ একটি। কেননা, বাংলাদেশ একটি জনবহুল নদীমাতৃক নিম্নভূমির (ষড়ি ষুরহম ঈড়ঁহঃৎু) দেশ। এটি সমুদ্র সমতল থেকে ৫ মিটারেরও কম উচ্চতায় অবস্থিত। বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইড ও তাপমাত্রা বেড়ে যায়। আর তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে পর্বত শৃঙ্গের বরফ গলে সমুদ্রে পানির পরিমাণ ও সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যায়। ফলে বাংলাদেশের মত দেশগুলোর নিম্নভূমি পানির নীচে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই, আমাদের সবক্ষেত্রে টেকসই উন্নয়নের দিকে নজর দিতে হবে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ দেশে ফিরে ঘোষণা করেছিলেন We have a plan for the people and for the Country. তার পরিকল্পনার বাস্তবরূপ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী ২৮ দিনে ২৮ টি অভূতপূর্ব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তিনি রাষ্ট্রপরিচালনার প্রতিটি মুহূর্তে নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বলেছিলেন, “I will make Politics difficult”। তার উত্তরসূরি তারেক রহমানের মাত্র এক মাসের কর্মকাণ্ড থেকে তার বাস্তব প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়। তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় ও রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে গুণগত পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান মানুষের ভাবনা ও প্রত্যাশার ইতিবাচক পরিবর্তন করেছে। মানুষ পুরনো অবস্থার পুনরাবৃত্তি চায় না। জনগণ বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক, সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও সুশাসিত বাংলাদেশ দেখতে চায়। সে লক্ষ্যেই প্রধানমন্ত্রী কাজ করে যাচ্ছেন। তবে দেশে একটি বড় অংকের কর্মহীন মানুষ রয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে দেশের বেকারত্বের হার ৪.৬৩ শতাংশ যদি ও অর্থনীতিবিদগণ এ তথ্যের যথার্থতা নিয়ে সন্দিহান। স্বল্প শিক্ষিত ও শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বেশী। প্রতিবছর প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার যুবক বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ থেকে পাশ করে বের হচ্ছে। তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যে কোন সরকারের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। বর্তমান সরকার তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সরকারকে এখন থেকেই সুনির্দিষ্ট নীতি নিয়ে এগাতে হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বিনিয়োগ বাড়াতে হবে এবং বেকার যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। দেশে বেকারত্বের হার কমলে অপরাধের সংখ্যা কমে আসবে ও আইন শৃঙ্খলার উন্নতি হবে এবং দেশ সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাবে । কেননা, প্রত্যেকে তার কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকবে। নির্বাচিত সরকারের কাছে দ্রব্যমূল্য হ্রাস ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ ও নীতি নির্ধারণের বিষয়ে জনগণের প্রত্যাশা রয়েছে। এটি নির্বাচিত সরকারের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ ও বটে। তবে আমি মনে করি যথাযথ মুদ্রানীতি, সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ ও বাজার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি কমিয়ে আনার জন্য আশু পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। কেননা, মূল্যস্ফীতি মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, মধ্য ও নিম্নবিত্তের মানুষের কষ্ট বাড়িয়ে দেয় এবং সামাজিক অস্থিরতা বেড়ে যায়। সবশেষে আশা করছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার যেভাবে তাদের উন্নয়ন কর্মসূচি ও নীতি বাস্তবায়ন করছে সেটি অব্যাহত থাকলে দেশ সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাবে।
লেখক: অধ্যাপক (ডেপুটেশন), রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও উপ-উপাচার্য, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভূতপূর্ব সূচনা ও জনপ্রত্যাশা
ড. মো. সফিকুল ইসলাম
মত-মতান্তর
২ মাস আগে
২৯ মার্চ (রবিবার), ২০২৬, ৮ঃ২৪ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
