‘ডিপ স্টেট কারা সজীব ভূঁইয়ার পরিষ্কার করা উচিত’

‘ডিপ স্টেট কারা সজীব ভূঁইয়ার পরিষ্কার করা উচিত’

ফন্ট সাইজ:

‘অন্তর্বর্তী সরকারকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় রাখার স্ট্র্যাটেজি সাজিয়েছিল ডিপ স্টেট’-এনসিপি নেতা ও অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তিনি ডিপ স্টেট বলতে কাদের বুঝিয়েছেন। এখন কেন এই বক্তব্য সামনে এনেছেন এমন প্রশ্ন সামনে এসেছে। সজীব ভূঁইয়া বৃহস্পতিবার দলীয় এক অনুষ্ঠানে এই বক্তব্য দেন। তার এই বক্তব্য বিশ্লেষণ করেছেন সাংবাদিক নবনীতা চৌধুরী। নিজের ইউটিউব চ্যানেলের পডকাস্টে নিজস্ব বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন।

নবনীতা বলেন, ডিপ স্টেট কারা সেটা তো আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পরিষ্কার করা উচিত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে নিশ্চিতভাবে জানেন কারা বাংলাদেশের সেই ডিপ স্টেট, যারা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস সাহেবদের রেখে দিতে চেয়েছিলেন ২০২৯ সাল পর্যন্ত। সেটা তারেক রহমান জানেন কারণ তারাই যে তারেক রহমানের দেশে আসাকে বাধাগ্রস্ত করছিলেন সেটাও পরিষ্কার করেছেন এনসিপি’র এই নেতা।
বাংলাদেশের ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর থেকে শেখ হাসিনা সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ডিপ স্টেট কি ভূমিকা রেখেছিল বা ডিপ স্টেটের ভূমিকাতেই বাংলাদেশের রেজিম চেঞ্জ ঘটে গেল কিনা, শেখ হাসিনা সরকারের পতন হলো কিনা, তা নিয়ে আলোচনা দেশে-বিদেশে এমন তুঙ্গে উঠেছিল, এমনকি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পর ওয়াশিংটনে প্রধানমন্ত্রী মোদি আর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মধ্যকার বৈঠক শেষে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করে বসেছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে যে মার্কিন ডিপ স্টেট বাংলাদেশের শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটাতে ভূমিকা রেখেছিল কিনা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেটা তখন হেসে অস্বীকার করলেও তিনি নিজেই আবার এই খবর নিয়ে হাজির হন সংবাদ মাধ্যমের সামনে, যে বাংলাদেশেই নাম না জানা এক এনজিওকে ৩০ মিলিয়ন ডলার দেয়া হয়েছিল। আইআরআই’র মতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ থিংক ট্যাংকগুলো হাজার হাজার ডলার, লাখ লাখ ডলার খরচ করছিল বাংলাদেশের গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে।

নানাভাবে রেজিম চেঞ্জকে উৎসাহিত করা হচ্ছিল। এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত অধ্যাপক জেফরি স্যাক্স বলে বসেন যে, পাকিস্তানে ইমরান খান সরকারকে সরাতে আর বাংলাদেশের শেখ হাসিনা সরকারকে সরাতে একইভাবে মার্কিন ডিপ স্টেট কাজ করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই ডিপ স্টেট শব্দটি সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে।
নবনীতা বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডিপ স্টেট বলতে একটা ছায়া সরকারকে বোঝানো হয়, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি কর্মকর্তা বেসরকারি কর্মকর্তা অত্যন্ত প্রভাবশালী ধনকুবের ও বিত্তশালী ব্যক্তিবর্গসহ নানা প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গরা মিলে একটা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন। যেই নেটওয়ার্কে আবার এফবিআই সিআইএ’র গোয়েন্দারাও থাকেন এবং তারা রাজনৈতিক সরকারের সমান্তরালে কাজ করে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের নীতি এবং সারা পৃথিবীর রাজনীতি নিয়ন্ত্রণের একটা চেষ্টা করেন। আর ডিপ স্টেট তো শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করে না। সব দেশেই এই সামরিক, বেসামরিক গোয়েন্দারা, প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ, বিত্তশালীরা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা যারা রাজনীতি এবং দেশটা কীভাবে চলবে সেই নীতিকে প্রভাবিত করতে চান তারা মিলেমিশে নেটওয়ার্ক তৈরি করে নানা রকম চেষ্টা তদবির চালান। আপনি যদি বলতে চান এক ধরনের ষড়যন্ত্র।

এখন এমন এক গুরুতর ষড়যন্ত্রের কথা ফাঁস করেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। যিনি ২০২৪ এর জুলাই আগস্ট আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা বনে যাওয়া- আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এখন বলছেন যে, ডিপ স্টেট চেয়েছিল তারাই যাতে ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকে। মানে শেখ হাসিনা সরকারের যে মেয়াদ ছিল সেই ২০২৯ পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে রেখে দেয়ার প্রচেষ্টায় তৎপর ছিল ডিপ স্টেট। এখন এটা কোন ডিপ স্টেট? এটা কি মার্কিন ডিপ স্টেট? নাকি এটা বাংলাদেশের সামরিক বেসামরিক গোয়েন্দা সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তা সুশীল সমাজের প্রতিনিধি বুদ্ধিজীবী এদের সমন্বয়ে গঠিত একটা অংশ।

নবনীতা বলেন, আপনি যদি একে একটি পরিকল্পনা মনে করেন, তাহলে সেই পরিকল্পনার অংশ ছিল আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি নিশ্চিতভাবেই এই কথা ফাঁস করতে চেয়েছেন যে, তারেক রহমান সরকার একেবারেই নিরাপদ নয়, এ সরকারকে ক্ষমতায় আনবার ক্ষেত্রে বড় ধরনের বাধা ছিল এবং বাংলাদেশের ডিপ স্টেটের একটা অংশ ২০২৯ সাল পর্যন্ত কোনো নির্বাচন হতে দিতে চায়নি।

বিশেষভাবে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলছেন, সেই অংশটি চেয়েছিল বিএনপি’র নেতারা আদালতে ঘুরতে থাকুক। এই পুরোটা সময় জুড়ে তাদের মামলা মোকদ্দমাগুলো চলতে থাকুক এবং কিছুতেই নির্বাচন হতে না পারুক। আর যেহেতু সকল নেতার সাজা আছে সেহেতু বিএনপি’র পক্ষেও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা সম্ভব না হোক। অনির্বাচিত ইউনূস সরকারই ক্ষমতায় থেকে যাক ২০২৯ সাল পর্যন্ত। রীতিমতো বিস্ফোরক তথ্য।

এই ডিপ স্টেট কারা চালাচ্ছিল? বাংলাদেশের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই? ডিজিএফআই চালাচ্ছিল বলেই কি-তারেক রহমান সরকার ক্ষমতায় আসা মাত্র সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছেন? ইউনূস সরকারের আমলে যিনি প্রধান ছিলেন। সেই ব্যক্তিকে রীতিমতো সেনাবাহিনী থেকেই সরিয়ে দিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিযুক্ত করেছেন।

তারেক রহমান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিযুক্ত করেছেন- সেনাবাহিনীর আরেকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে যিনিও ইউনূস সরকারের সঙ্গে মিলে সেনাবাহিনীর ভেতরেই আরেকটা সমান্তরাল নেতৃত্ব তৈরি করছিলেন।
নবনীতা বলেন, ইউনূস সাহেব এবং খলিলুর রহমান জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বারবার চাইছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসানকে সেনাপ্রধান করে ওয়াকার উজ-জামানের স্থলাভিষিক্ত করতে। সেই লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসানকেও কিন্তু তারেক রহমান ক্ষমতায় এসেই সরিয়েছেন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিযুক্ত করেছেন। তার মানে তাকে সেনাবাহিনী থেকেই সরিয়ে দিয়েছেন।

এখন ডিপ স্টেটের যে বিপদ- যারা তারেক রহমানকে ক্ষমতায় আসতে দিতে বাধাগ্রস্ত করতে চেয়েছিল, উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার কথা অনুযায়ী, তাদের সরিয়ে দিয়ে তারেক রহমান কী নিরাপদ হলেন? ২০২৯ সাল পর্যন্ত তারেক রহমানকে কী ক্ষমতায় থাকতে দেবে ডিপ স্টেটের এই অংশ?
এসময় আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার এই বক্তব্য উদ্ধৃত করেন নবনীতা।
‘সজীব ভূঁইয়া বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের শুরুর দিকে আমাদেরকে বিভিন্ন শক্তিশালী ইনস্টিটিউশন-যাদেরকে ডিপ স্টেট বলা হয়, তাদের থেকে আমাদের অফার করা হয়েছিল, আপনারা শেখ হাসিনার যে মেয়াদ আছে ২০২৯ পর্যন্ত শেষ করেন, আমরা আপনাদের সহযোগিতা করবো।’

এখন ওয়াকার-উজ-জামানকে এই সন্দেহ থেকে পুরোপুরি দূরে রাখা যায়। কারণ মনে করে দেখেন ওয়াকার-উজ-জামানের বিরুদ্ধে হাসনাত আব্দুল্লাহ ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে সোচ্চার হয়ে ওঠেন। যখন হাসনাত আব্দুল্লাহ স্ট্যাটাস দিয়ে বলেন যে, ওয়াকার-উজ-জামান সেনা সদর দপ্তরে তাকে আর সারজিসকে ডেকে নিয়ে এই আহ্বান জানিয়েছেন যে, দ্রুত একটা নির্বাচন অনুষ্ঠান করা দরকার এবং সেই নির্বাচনে রিফাইনড আওয়ামী লীগকেও অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া উচিত।

তখন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কিন্তু সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকার দিয়ে বলেন, ওয়াকার-উজ-জামান কিছুতেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে ড. ইউনূসকে মানতে চান নাই। ড. ইউনূসকে কনভিক্টেড বা দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে বিবেচনা করেছেন, এমন নানা তথ্য তুলে ধরেন। কাজেই ডিপ স্টেটের অংশ যে সেনাপ্রধান ছিলেন না সেটা একরকম নিশ্চিত করে বলা যায়। যেহেতু বরাবর আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানকে দিল্লির লোক হিসেবে অভিহিত করেও স্ট্যাটাস দিয়ে এসেছেন। তাহলে ডিপ স্টেট কারা সেটা তো আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পরিষ্কার করা উচিত।

নবনীতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে নিশ্চিতভাবে জানেন, কারা বাংলাদেশের সেই ডিপ স্টেট। যারা ইউনূস সাহেবদেরকে রেখে দিতে চেয়েছিলেন ২০২৯ সাল পর্যন্ত। তারাই যে তারেক রহমানের দেশে আসাকে বাধাগ্রস্ত করছিলেন সেটাও পরিষ্কার করেছেন এনসিপি’র এই নেতা। আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘ডিপ স্টেটের কিছু শর্ত ছিল তাদেরকে কিছু কিছু জায়গায় সুবিধা করে দেয়া ফ্যাসিলিটেট করা। তারা রোডম্যাপ করে নিয়ে এসেছিল যে, বিএনপি নেতাদের তো সাজা আছে সাজা থাকলে সাধারণভাবে নির্বাচন দিলেও তারা নির্বাচন করতে পারবেন না। আদালতের তারিখ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে তাদের সাজা আদালতের মাধ্যমে দীর্ঘ করা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিজের নামেও সাজা ছিল। তিনি যদি সাজাপ্রাপ্ত অবস্থায় থাকতেন নির্বাচন হলেও তিনি অংশ নিতে পারতেন না। তারা ডিপ স্টেট পুরো স্ট্র্যাটেজি আমাদেরকে সাজিয়ে দিয়েছিল কীভাবে ক্ষমতায় থাকা যায়। তাদের সঙ্গে এক ধরনের দর কষাকষির সমঝোতার ভিত্তিতে আমরা সেটাতে সায় দেইনি।’
নবনীতা বলেন, সকলের জানা থাকার কথা, অসংখ্যবার আলোচনা করেছি ২১শে আগস্টের তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলাটি সবচেয়ে বড় দরকষাকষির একেবারে সূত্র হয়ে উঠেছিল ইউনূস সরকারের জন্য।

২০২৫-এর সেপ্টেম্বরে এসে তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবর তাদের আপিলের রায়ে খালাস বহাল থাকে বটে কিন্তু মনে রাখতে হবে সরকার পক্ষ রিভিউ করার সুযোগটা কিন্তু খোলা রাখেন এবং এরপরেও ২০২৫-এর সেপ্টেম্বরে এক খালাসের রায় বহাল থাকলেও বলা হয়, পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পর রাষ্ট্র সিদ্ধান্ত নেবে যে, আপিল তো তারা আগে করেছেনই খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে। সেই শুনানি চলে কয়েক মাস ধরে এবং তারেক রহমানের দেশে ফেরা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু সেপ্টেম্বরে যখন খালাসের রায় বহাল রাখা হয়, তখনও রাষ্ট্রপক্ষ বলে যে-পূর্ণাঙ্গ রায় দেখে তবে সিদ্ধান্ত নেবে যে রিভিউ করবে কিনা।

তার মানে সাজার কারণে নির্বাচনের জন্য বিএনপিকে প্রস্তুত করা যাবে না। দেড় বছর ধরে তারেক রহমান ফিরতে পারলেন না, তার পেছনে কিন্তু এই সূত্র, এই ষড়যন্ত্র, এই পরিকল্পনার বাস্তবায়নের পূর্ণাঙ্গ চিত্র দেখা যায়।
নবনীতা বলেন, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন-‘যেহেতু তারা একটা সুষ্ঠু নির্বাচন চেয়েছিলেন এবং নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ না হয় চেয়েছিলেন। সে কারণে তারা সেই ডিপ স্টেটের কথার পরেও তারা নির্বাচনে গেছেন। নির্বাচন দিয়েছেন।’ আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সম্ভবত এই বক্তব্যের মাধ্যমে এটাই তারেক রহমানকে মনে করিয়ে দিতে চেয়েছেন যে, ২০২৯ সাল পর্যন্ত যেই ডিপ স্টেট বা দেশের বিদেশের যেসব শক্তিশালী ইনস্টিটিউশন তাদেরকে ক্ষমতায় রাখতে চেয়েছিলেন, তারা এখনো যেকোনো সময় আবার মত পরিবর্তন করে হয়তো তারেক রহমানকে সরিয়ে দিতে পারেন। এবং তারেক রহমানসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দকে কীভাবে নাস্তানাবুদ করতে হবে সেই অস্ত্রগুলো এখনো তাদের হাতে আছে।

নবনীতা বলেন, হায় হায় করছেন! আর আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ারা বোধহয় ভাবছেন যে, কীভাবেই বা তারা ক্ষমতার কেন্দ্রে পৌঁছে গিয়েছিলেন? আর কীভাবে-ই বা তারা ক্ষমতার বলয় থেকে এতটা দূরে ছিটকে পড়লেন?

সত্যবাদী

২ মাস আগে

"প্রশ্নটাতো সহজ আর উত্তরতো জানা" - নবনীতার মতো অন্ধ আওয়ামী পন্থীদের চোখে ডীপ স্টেট হলো যুক্তরাষ্ট্র আর বাকিদের চোখে ভারত।

Parnel

২ মাস আগে

He is one of beneficiary of the said deep state.

জনতা

২ মাস আগে

আসিফ ভুইয়াতো এখনও ডিপস্টেটের কথা মত চলছে।

রুহেল

২ মাস আগে

সহমত।

মোঃ আবদুল হালিম মামুন

২ মাস আগে

এই বিষয়টা দ্রুত সুরাহা করার জন্য আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কে গ্রেপতার করে রিমান্ডে নিতে হবে। সে নাটের গুরুদের একজন।

Abdul Matin Sikder

২ মাস আগে

ডিপস্টেট হচ্ছে সরাসরি ভারতীয় "র" আর ভারতপালিত কুত্তা আওয়ামিলীগের দেশবিরোধী সকল বড়বড় সরকারী কর্মকর্তা। ডিপস্টেটের পালিত কুকুর হলো কিছু এনজিও, কিছু পত্রিকা, অনলাইন মিডিয়া, কিছু সাংবাদিক সহ ভারতপন্থি বিভীন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ এবং জামাত শিবির, এনসিপি। এই দেশে ডিপস্টেটের সৃষ্টিকর্তা হলো কলকাতায় পালিয়ে যাওয়া ব্রিটিশ আমলের সেই পুর্ববংগের ত্রাস হিন্দু জমিদারের বংশধরেরা, যারা সবসময় ইজরাইল ব্রিটিশ মার্কিন আশির্বাদপুষ্ট। বিএনপি সরকারের খুব বড় একটি দায়িত্ব হলো বাংলাদেশ থেকে ডিপস্টেটের অস্তিত্ব পারলে চিরতরে বিলীন করে দেয়া, সমূলে বিনাশ করে দেয়া।

Zarka

২ মাস আগে

Everyone is clear what deep state is, NABONITA will never go deep.

মন্তব্য করুন