পটুয়াখালী বাউফলে অগ্নিকাণ্ডে ১১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গত সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে কালিশুরী বন্দরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। জানা গেছে, রাতে কালিশুরী বন্দরের চাল ব্যবসায়ী হাসানের দোকান থেকে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হলে উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে জুয়েলারি ব্যবসায়ী অসীম কর্মকার ও কমল দাসের দোকান, ফারুক হোসেনের স্টুডিও, পুতুল ফটোস্ট্যাট, কালু দাস মোবাইল সার্ভিসিংসহ বেশ কিছু দোকান ও ভ্যারাইটিজ স্টোর পুড়ে যায়। জুয়েলারি ব্যবসায়ী অসীম কর্মকার বলেন- গভীর রাতে আগুন লাগার কারণে কিছুই রক্ষা করতে পারিনি। মুহূর্তেই আমার সব শেষ হয়ে গেছে। বন্দরবাসী জানান, এর আগে ২০১২ সালে কালিশুরী বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। সে সময় বন্দরের প্রাণকেন্দ্র মার্চেন্ট পট্টির শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে কেটি কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। তখন কালিশুরী বন্দরে একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তৎকালীন সরকারের সংসদ সদস্য সাবেক চিফ হুইপ আ.স.ম ফিরোজ। দীর্ঘ ২৪ বছরেও সেই ফায়ার সার্ভিস স্টেশনটি করা হয়নি। আমরা অতি দ্রুত কালিশুরী বন্দরে একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাই। বাউফল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর সাব্বির হোসেন জানান- বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
বাউফলে ১১ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই
বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
১৮ মার্চ (বুধবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
