পবিত্র ঈদ উপলক্ষে নৌপথে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। উপকূল এবং নদী তীরবর্তী অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছে। অবৈধ কর্মকান্ড প্রতিরোধ এবং নৌপথের নিরাপত্তায় নিয়মিত টহল, যৌথ এবং সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করছে এ বাহিনী।
ঈদযাত্রার সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে মঙ্গলবার সদরঘাটে কোস্টগার্ডের পাগলা স্টেশন কমান্ডার লেঃ মোঃ রাকিবুল ইসলাম রনি গণমাধ্যমকে বলেন, কোস্টগার্ড চারটি জোনের এখতিয়ারভুক্ত এলাকা বিশেষ করে ঢাকা, ভোলা, চট্টগ্রাম ও মোংলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ লঞ্চ,খেয়া ও ফেরি ঘাটসমূহে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সদর ঘাট লঞ্চ টার্মিনালে জননিরাপত্তা প্রদানের লক্ষ্যে বিশেষ টহল, জনসচেতনতা মূলক মাইকিং, সন্দেহজনক ব্যক্তি ও বোট, নৌযান সমূহে তল্লাশি এবং যাত্রীদের ব্যাগ স্ক্যানসহ অন্যান্য নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। দুষ্কৃতিকারীরা যেন কোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকান্ড সংগঠিত করতে না পারে তার জন্য তৎপর রয়েছে কোস্ট গার্ডের প্রতিটি সদস্য।
তিনি বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে এবং ঈদ পরবর্তী যাত্রী সাধারণের নৌ যাত্রা নিরাপদ রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ২৪ ঘন্টা টহল জারি রেখেছে। যার মাধ্যমে কোস্ট গার্ডের আওতাধীন উপকূলীয় এবং নদী তীরবর্তী অঞ্চলের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পূর্বের তুলনায় অনেকাংশে উন্নত হয়েছে। এছাড়াও সমুদ্র উপকূলীয় ও নদীপথে চোরাচালান, চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড টহল কার্যক্রম ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে। কোস্ট গার্ডের ধারাবাহিক অভিযানে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীরা সংশ্লিষ্ট এলাকায় কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে, যার ফলে বর্তমানে লাইটার জাহাজসহ অন্যান্য নৌযান নির্বিঘ্নে চলাচল করছে এবং নৌপথে কর্মরত নাবিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। রাকিবুল ইসলাম রনি বলেন, দেশের নদীপথ ও সমুদ্র এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
