অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে এসে জয়ের দেখা পেলো বাংলাদেশের যুবারা। গতকাল ওমানের আল আমেরাত স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কাকে ৪৫ রানে হারায় ফরিদ হাসানের দল। আগে ব্যাট করা বাংলাদেশ আহসান আল মুমিনের ৮২ রানে ভর করে ২৪৫ রান তোলে। জবাব দিতে নেমে ২০০ রানে গুটিয়ে যায় লঙ্কান যুবারা। বাংলাদেশের চার বোলার দু’টি করে উইকেট নেন। ‘বি’ গ্রুপে দুই ম্যাচে দুই পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে উঠে এসেছে লাল-সবুজ যুবারা। এর আগে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১১৩ রানে হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল বাংলাদেশ। টস জিতে বাংলাদেশকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় শ্রীলঙ্কা। দুই ওপেনারের কল্যাণে দারুণ শুরু পায় বাংলাদেশ। আবদুল্লাহ আল মুহি ও এসেকে জারিফ সিয়াম ৬ ওভারে ৩৭ রান তোলেন। সপ্তম ওভারে ভাঙ্গে উদ্বোধনী জুটি। ৬ চারে ২৫ বলে ৩০ রান করা মুহিকে ফেরান কুমারাসিংহে। দলীয় ৪১ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
তিনে নামা আল আমিন হোসেন রনিও ইনিংস বড় করতে পারেননি। প্রথম পাওয়ার প্লে’র শেষ ওভারে ফিরে যান সাজঘরে। ৬৩ রানে দুই উইকেট হারায় লাল-সবুজ যুবারা। তৃতীয় উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন মুমিন ও সিয়াম। দু’জনের জুটি থেকে আসে ৬৮ রান। এক ছক্কা ও চার বাউন্ডারিতে ৮৩ বলে ৫৯ করে ফেরেন সিয়াম। দলীয় অধিনায়ক ফরিদ
হাসান ১৭ রান করে কুমারাসিংহের শিকার হন। অন্যপ্রান্তে ফিফটি তোলে নেন মুমিন। ২০৮ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত ওভারের ২ বল আগে অলআউট হয় যুবারা। লঙ্কানদের পক্ষে সেথমিকা সেনেভিরান্তে চার উইকেট নেন। গিমহান মেন্ডিসের শিকার তিন উইকেট।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শ্রীলঙ্কার শুরুটা ভালো হয়নি। দলীয় ১৬ রানে ভাঙ্গে উদ্বোধনী জুটি। ব্যক্তিগত ১২ রানে ফেরেন অধিনায়ক ভিরান চামুদিতা। আরেক ওপেনার রেহান পেরিসকে ফেরান রুবাই ইসলাম রিজন। দলীয় ৭৬ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। এরপরও সেনুজা ওয়েকুনাগদার ব্যাটে জয়ের আশা বাঁচিয়ে রেখেছিল দলটি। তবে তার বিদায়ের পর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি লঙ্কানরা। ৯৫ বলে ৮৫ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেও দলকে জেতাতে পারেননি তিনি। শ্রীলঙ্কার আর কোনো ব্যাটার বিশের ঘরও পেরোতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ৪৬.১ ওভারে গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে দুটি করে উইকেট নেন রাফিউল আলম তামিম, শেখ আতিকুর রহমান, রুবাই ইসলাম রিজন ও রবিউল হাসান অনিক।
