আল-আমিনের সেঞ্চুরি, শেষ দিনে রোমাঞ্চের অপেক্ষায় এনসিএল

আল-আমিনের সেঞ্চুরি, শেষ দিনে রোমাঞ্চের অপেক্ষায় এনসিএল

ফন্ট সাইজ:

জাতীয় ক্রিকেট লীগের তৃতীয় দিনে এসে মাঠে গড়ালো ভেজা আউটফিল্ডে পিছিয়ে থাকা ঢাকা-বরিশালের ম্যাচ। এর মধ্যে আবারো আলোচনায় ময়মনসিংহের অলরাউন্ডার আল-আমিন জুনিয়র। খুলনার বিপক্ষে যেন মুদ্রার পিঠের মতো মিলে যাচ্ছে তার রান। গত মৌসুমের পর এবারো একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে আল-আমিনের ব্যাট থেকে এলো সেই পরিচিত ১০২ রানের ইনিংস।

ময়মনসিংহের হয়ে খেলা এই অফ স্পিনিং অলরাউন্ডারের সঙ্গে খুলনার বোঝাপড়াটা বেশ অদ্ভুত। গত মৌসুমে খুলনার বিপক্ষেই সেঞ্চুরি-খরা কাটিয়ে অপরাজিত ১০২ রান করেন তিনি। এবারো প্রতিপক্ষ খুলনা, আর রানও ঠিক ১০২। তবে পার্থক্য কেবল এবার তিনি অপরাজিত থাকতে পারেননি। ক্র্যাম্পের কারণে মাঝে মাঠ ছাড়লেও পরে আবার ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় স্কোর সমৃদ্ধ করেন তিনি। আবদুল মজিদের (৫৯) সঙ্গে তার ১১৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি ময়মনসিংহকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেয়। তবে ফলোঅনে পড়া দলটি তৃতীয় দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ৩১৫ রান তুলেছে। ফলে খুলনার প্রথম ইনিংসের চেয়ে ১৩৫ রানে এগিয়ে রয়েছে তারা।

অন্যদিকে, চট্টগ্রামের মাঠে চলছে জয়ের সুবাস। স্বাগতিকদের সামনে জয়ের লক্ষ্য ২২৭ রান। তৃতীয় দিন শেষে ১ উইকেটে ১২৬ রান তুলে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে তারা। সাদিকুর রহমান ৫৮ এবং শাহ পরান ৫১ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। এর আগে সিলেটের দ্বিতীয় ইনিংস ২১৮ রানে গুটিয়ে যায়। চট্টগ্রামের বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদ ম্যাচের দুই ইনিংস মিলিয়ে দারুণ বোলিং করে মোট ৮ উইকেট তুলে নেন। অন্য ম্যাচে, রংপুরের বিপক্ষে প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে প্রথম ৫ উইকেটের দেখা পেয়েছেন রাজশাহীর পেসার আসাদুজ্জামান পায়েল। বগুড়ায় রংপুরের প্রথম ইনিংস ২৫৬ রানে আটকে রাখতে ৬৪ রান খরচায় ৫ উইকেট নেন তিনি। ২৫ রানের ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহী দিন শেষে ৩ উইকেটে ১১০ রান তুলেছে। তাদের বর্তমান লিড ৮৫ রানের।

অন্যদিকে, ভেজা আউল্টফিল্ডের কারণে প্রথম দুই দিন একটি বলও মাঠে গড়ায়নি ঢাকা ও বরিশাল ম্যাচের। অবশেষে তৃতীয় দিনে শুরু হলো খেলা। টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে বরিশাল দিন শেষে ৮ উইকেটে ২৬৬ রান সংগ্রহ করেছে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬২ রান করে অপরাজিত উইকেটকিপার-ব্যাটার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।