উইকেট নিয়ে সর্তক ওয়েস্ট ইন্ডিজ

উইকেট নিয়ে সর্তক ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ফন্ট সাইজ:

মিরপুর টেস্টের প্রথম তিন দিনে ২৬ উইকেটের পতন হয়েছে। যার ২০টি নিয়েছেন স্পিনাররা। প্রথম দুই দিনের তুলনায় তৃতীয় দিনে বেশি টার্ন ও নিচু বাউন্স পেয়েছেন বোলাররা। চতুর্থ দিনে উইকেটের চরিত্র আরও বোলিংবান্ধব হওয়ার কথা। এ কারণে উইকেট নিয়ে সতর্ক ক্যারিবীয়রা। চতুর্থ দিনে ব্যাটারদের চ্যালেঞ্জের কথা জানিয়ে সফরকারীদের ব্যাটিং কোচ ফ্লয়েড রেইফার বলেন, ‘উইকেটে বাউন্স কম হচ্ছে এবং কিছু বল টার্ন করছে। যখন আপনি ব্যাকফুটে খেলবেন, তখন নিচু হয়ে গিয়ে উইকেটের সামনে রান করার চেষ্টা করতে হবে। তবে আমাদের মূল লক্ষ্য হলো এই ইতিবাচক মানসিকতা ধরে রাখা-ডিফেন্সে পজিটিভ থাকা, স্ট্রেইট রোটেশন, রান তোলার বিকল্প এবং বাউন্ডারি হাঁকানোর সুযোগের সদ্ব্যবহার করা।’ বাংলাদেশকে চতুর্থদিনে দ্রুত আটকে ফেলার আশা রেইফারের। সেই সঙ্গে লক্ষ্য কত হলে শিষ্যরা তাড়া করতে পারবে সেটাও জানিয়ে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব ওদের শেষ কয়েকজন ব্যাটসম্যানকে আউট করার চেষ্টা করবো। প্রথম এক ঘণ্টা খুব গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে, বিশেষ করে ওদের এই জুটি ভাঙার ক্ষেত্রে। ওই জুটি ভাঙতে পারলেই কাজটা সহজ হয়ে যাবে। যদি আমাদের লক্ষ্য ১৭৫ রান হয়, তাহলে আমার মনে হয় এই উইকেটে তা তাড়া করা আমাদের জন্য খুবই সম্ভব। তবে সে জন্য শুরুতেই উইকেট নিতে হবে।’ উইকেট কঠিন হলেও ব্যাটসম্যানদের স্পিন ভালো খেলার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং কোচ। রক্ষণ কিংবা রান নেয়ায় তার দল অনেক উন্নতি করেছে বলেও মনে করেন তিনি। তবে মিরপুরের উইকেটে এখন আক্রমণাত্মক পথেই হাঁটবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

তিনি বলেন, ‘ছেলেরা এই পিচে সত্যিই ভালো ব্যাট করছে। দেখাই যাচ্ছে, আমরা স্পিনটা তুলনামূলক ভালো খেলি। স্পিনের বিপক্ষে ব্যাটিং নিয়ে আমরা যথেষ্ট কাজ করেছি। বিশেষ করে স্ট্রাইক রোটেট করা, রক্ষণ এবং রান তোলার উপায়গুলোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। তাই কাল যে লক্ষ্যই দাঁড়াক না কেন, তা তাড়া করে জিততে আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।’ বাংলাদেশে আসার আগে চেন্নাইয়ে বিশেষ ক্যাম্প করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেই ক্যাম্পের সুফল পাচ্ছে দল জানিয়ে রেইফার বলেন, ‘চেন্নাইতে আমরা দুই সপ্তাহ খুব ভালো সময় কাটিয়েছি এবং সেখানে প্রচুর স্পিন খেলেছি। ছেলেরা দীর্ঘ সময় ধরে অনুশীলন করেছে। এমনকি চেন্নাইতে যাওয়ার আগেও আমরা এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করেছি। আমরা আগেই চিহ্নিত করেছিলাম যে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে এবং টেস্টে মিডল ওভারে স্পিন খেলা আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। রান তোলার ক্ষেত্রে ছেলেরা এখন অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী।’