লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ভেতরে দুইপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে দু’জন আহত হয়েছেন। এ সময় হাসপাতালের নার্স, চিকিৎসক ও রোগীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। রাতে দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজে ২য়বর্ষ ছাত্রদলের সভাপতি শাহেদ আলম ও তার সমর্থকদের সঙ্গে জুয়েল হোসেন নামে একজনের এই মারামারির ঘটনা ঘটে। এ সময় হাসপাতালের জিনিসপত্রও ভাঙচুর করা হয়।
পুলিশ বলছে, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। হাসপাতালের ভিতরে মারামারির ঘটনা কাম্য হতে পারে না।
তবে জুয়েল হোসেনের দাবি, তিনি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসলে পূর্ব বিরোধের জেরে ছাত্রদল নেতা শাহেদ আলম ও তার সমর্থকরা তার ওপর হামলা চালিয়ে আহত করে। কিন্তু এ বিষয়ে ছাত্রদল নেতা শাহেদ আলম কোন কথা বলতে রাজি নয়।
হাসপাতাল ও প্রত্যক্ষদতর্শী সূত্রে জানায়, জুয়েল হোসেন রাতে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রবেশ করে। এসময় শাহেদ আলমের নেতৃত্বে ৫-৬ জনের একদল গ্রুপ জরুরি বিভাগে প্রবেশ করে জুয়েলকে বেদম মারধর শুরু করে। এরপর জুয়েল হোসেন ও শাহেদ আলম পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। এসময় হাসপাতালের জিনিসপত্র ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনার পর রোগী, নার্স ও চিকিৎকদের মধ্যে আতংকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. অরূপ পাল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হাসপাতালে মানুষ আসে চিকিৎসা নিতে। সেখানে যদি চিকিৎসক ও নার্সরা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে থাকে। তাহলে কীভাবে চিকিৎসা দেয়া হবে। তবে কি কারণে মারামারির ঘটনা ঘটেছে, সেটা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। হাসপাতালের ভেতরে মারামারির ঘটনা কাম্য হতে পারে না। এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি।
