শনিবার নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছে ভারত। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রথম দল হিসেবে ২০০ ম্যাচ জয়ের কীর্তি গড়েছে তারা। এই মাইলফলকে পৌঁছাতে ভারতকে খেলতে হয়েছে ৩০০ ম্যাচ। জয়ের হার ৭১.২০ শতাংশ। তবে জয়ের অনুপাতে ভারতকে পেছনে ফেলেছে আফ্রিকার ছোট্ট দেশ উগান্ডা। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অন্তত ১০০ জয় পাওয়া নয়টি দলের তালিকায় নবম স্থানে থাকলেও জয়ের হারে সবার ওপরে উগান্ডা।
এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ১৩১টি ম্যাচ খেলে ১০১টিতে জিতেছে উগান্ডা। অর্থাৎ প্রতি হারের বিপরীতে তাদের জয় ৩.৭৪টি। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি ২০০ ম্যাচ জেতা ভারতের জয়-হারের অনুপাত ২.৪০৯। তবে এই পরিসংখ্যানের পেছনে প্রতিপক্ষের শক্তির বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে।
ভারতের মতো উগান্ডাও শনিবার মাঠে নেমেছিল।
আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আফ্রিকা সাব-রিজিওনাল বাছাইপর্বে মোজাম্বিককে ১০ উইকেটে হারিয়েছে দলটি। মোজাম্বিককে মাত্র ১৯ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৫ বলেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে ২১ নম্বরে থাকা উগান্ডা।
রান তাড়া করতে নেমে সবচেয়ে বেশি বল হাতে রেখে জয়ের তালিকায় এটি যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে স্পেন। ২০২৩ সালে আইল অব ম্যানের বিপক্ষে ১১৮ বল হাতে রেখেই জিতেছিল তারা।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে উগান্ডার জয়ের হার এতটা ভালো হওয়ার কারণ বুঝতে হলে তাদের প্রতিপক্ষের দিকেও নজর দিতে হবে। সাধারণত শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে খেলার সুযোগ খুব একটা পায় না আফ্রিকার দলটি। পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর বিপক্ষে তাদের অভিজ্ঞতা বলতে মাত্র পাঁচটি ম্যাচ—২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুটি এবং আফগানিস্তানের বিপক্ষে একটি ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ।
উগান্ডা সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেছে রুয়ান্ডার বিপক্ষে—২৩টি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১টি ম্যাচ খেলেছে কেনিয়ার বিপক্ষে। আইসিসির টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে এই দুই দলই অনেক পিছিয়ে। রুয়ান্ডার অবস্থান ৫৩তম, কেনিয়া ৩৩তম। ফলে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে জয়ের সংখ্যায় ভারত এগিয়ে থাকলেও জয়-হারের অনুপাতে উগান্ডার অবস্থান সবার ওপরে। তবে এই পরিসংখ্যানের মূল্যায়নে দুই দলের প্রতিপক্ষের শক্তি ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিজ্ঞতার পার্থক্যটিও মাথায় রাখা জরুরি।
