অস্ট্রেলিয়াতে পুনর্বাসন চান নাহিদ রানা

অস্ট্রেলিয়াতে পুনর্বাসন চান নাহিদ রানা

ফন্ট সাইজ:

বারবার চোটের ধাক্কায় মাঠের বাইরে নাহিদ রানা। দ্রুত সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরতে এবার অস্ট্রেলিয়াতেই পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে চান বাংলাদেশের এই গতিতারকা। চিকিৎসক পিটার দি আলেসান্দ্রোর পরামর্শে সেখানে ১০ দিনের পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করেছেন তিনি। তবে কবে নাগাদ প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন, তা নির্ভর করছে তার সুস্থতার অগ্রগতির ওপর।

গত মাসের শেষ দিকে আবারো চোটে পড়েন নাহিদ। এরপর দ্বিতীয় দফায় অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে চিকিৎসক পিটার দি আলেসান্দ্রোর শরণাপন্ন হন এই পেসার। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার কাঁধের ল্যাব্রামে চোট ধরা পড়ে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) এক কর্মকর্তা। ক্রিকবাজকে বিসিবি’র ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘হ্যাঁ, নাহিদের ল্যাব্রাম ছিঁড়ে যাওয়ার চোট শনাক্ত হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ায় তাকে ইতিমধ্যে ইনজেকশন দেয়া হয়েছে এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করেছে সে। শুক্রবার (৩০শে অক্টোবর) থেকে তার বোলিং শুরু করার সম্ভাবনা রয়েছে।’ তবে বোলিং শুরু করলেই যে দ্রুত ম্যাচ খেলার মতো ফিট হয়ে উঠবেন, এমন নিশ্চয়তা নেই। পুনর্বাসনে কতোটা সাড়া দিচ্ছেন এবং সুস্থ হতে কতোটা সময় লাগছে, তার ওপরই নির্ভর করছে তার মাঠে ফেরার সময়সূচি।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আসন্ন দুই টেস্টের আগে পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠতে না পারলে সাদা বলের সিরিজ দিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরতে পারেন এই পেসার। চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া ও পুনর্বাসনের প্রাথমিক ধাপ শেষ করে ২৮শে অক্টোবর দেশে ফেরার কথা ছিল নাহিদের। তবে আপাতত দেশে ফিরতে চাইছেন না তিনি। বিসিবি’র একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী ১০ই নভেম্বর পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় থেকে পুনর্বাসন চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এই পেসার।

এর আগে গত জুলাইয়ে বাংলাদেশের জিম্বাবুয়ে সফরের সময় গ্রেড-২ সাইড স্ট্রেইনে আক্রান্ত হন নাহিদ। সেই চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়া সফর, এশিয়ান গেমস ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে খেলতে পারেননি তিনি। পুনর্বাসন চলাকালে নিতম্বের পেশিতেও নতুন করে চোট পান এই পেসার। ফলে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আয়োজিত ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকেও ছিটকে যান তিনি। আগামী ২৮শে অক্টোবর থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরু করবে বাংলাদেশ। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজও রয়েছে। জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ এই সূচির আগে নাহিদের সুস্থ হয়ে ওঠা নিয়ে তাই বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে টিম ম্যানেজমেন্ট। দ্রুত ফেরার চেয়ে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে মাঠে ফেরাই এখন তার প্রধান লক্ষ্য।