কমপ্লিট শাটডাউন অব্যাহত

জামালপুর নার্সিং কলেজে নতুন ইনচার্জের যোগদানে বাধা

ফন্ট সাইজ:

নতুন ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জের বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে টানা তৃতীয়দিনের মতো অনির্দিষ্টকালের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’- কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার আন্দোলনের মুখে পড়ে কলেজে প্রবেশ ও যোগদান করতে পারেননি নতুন ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ মাকসুদা ইয়াসমিন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কলেজের সব একাডেমিক কার্যক্রম, ক্লাস ও হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস বন্ধ রয়েছে। সকালে শিক্ষার্থীরা কলেজের একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাকসুদা ইয়াসমিন কলেজে পৌঁছালে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাকে প্রবেশে বাধা দেন এবং বদলির আদেশ বাতিলের দাবিতে স্ল্লোগান দিতে থাকেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শেরপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটে দায়িত্ব পালনকালে ইয়াসমিন নানা অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী জয় ও ফারহানা জানান, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে। তবে ইয়াসমিন ছাড়া অন্য কাউকে এই পদে নিয়োগ দিলে তাদের কোনো আপত্তি নেই। কলেজের নার্সিং ইন্সট্রাক্টর সামিনা আক্তার জানান, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে সাধারণ শিক্ষকেরাও ভেতরে ঢুকতে পারছেন না। ফলে ক্লাস ও হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়ে ইয়াসমিন বলেন, তার যোগদানে বাধা দেয়ার পেছনে চক্রান্ত রয়েছে। আন্দোলনকারীদের বাধার কারণে তিনি যোগ দিতে পারেননি এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন। উল্লেখ্য, গত ১২ই অক্টোবর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের এক আদেশে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ শাহজাদী মাহমুদাকে শেরপুরে এবং শেরপুরের ইয়াসমিনকে জামালপুরে বদলি করা হয়। এ আদেশের পর থেকেই বদলি বাতিলের দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা।