সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের ভাগ্যকুল চাপ্রুল খাল থেকে অনুমতি ছাড়াই বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। এতে খালের প্রাকৃতিক পরিবেশ, স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ও দুই পাড়ের স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, আবদুর রহমান ও আলম শরীফের নেতৃত্বে এলাকার ৬/৮ জনের একটি গ্রুপ বালু উত্তোলন কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত। তাদের দাবি, অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে খালের তলদেশের স্বাভাবিক গঠন পরিবর্তিত হওয়ার পাশাপাশি পাড় ভাঙন, কৃষিজমির ক্ষতি এবং আশপাশের বসতবাড়ি হুমকির মুখে পড়তে পারে।
বালু উত্তোলনের বৈধ অনুমতি রয়েছে কি না, জানতে চাইলে অভিযুক্ত বালু ব্যবসায়ী আরদুর রহমান জানান, তাদের কোনো অনুমতি নেই। তবে কারা কী পরিমাণ বালু উত্তোলন করছেন এবং এ কাজে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এলাকার আবদুল শুক্কুর বলেন, ভাগ্যকুল চাপ্রুল খাল থেকে যেভাবে দিন-রাত বালু উত্তোলন করা হচ্ছে, তা এলাকার পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক। এভাবে চলতে থাকলে খালের পাড় ভেঙে আশপাশের জমি ও বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সুয়ালক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উক্যনু মারমা বলেন, ভাগ্যকুল এলাকায় বালু উত্তোলনের বিষয়টি তিনি শুনেছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কোনো অনুমতি নেননি।
এদিকে বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক নুর উদ্দীন জানান, এলাকাবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত দুই থেকে তিন মাসে তারা সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো পরিদর্শন করেছেন। তবে সে সময় উল্লেখযোগ্য বালু উত্তোলনের কোনো স্থান তাদের নজরে পড়েনি। বর্তমানে সাংবাদিকদের মাধ্যমে নতুন করে বিষয়টি জানতে পেরেছেন তারা। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
