পরিশেষে, বাংলা ভাষার উদ্ভবের সঙ্গে সংস্কৃতির প্রত্যক্ষ সম্পর্কের ওপর জোর দিয়ে হ্যালেড লিখেছেন, “সংস্কৃত সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা ছাড়া বাংলা ভাষা শেখা রীতিমতো অসম্ভব। কেননা, এ দু’টি ভাষা পরস্পরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে আবদ্ধ- জন্মসূত্রেই তারা পরস্পর সম্পর্কিত, তাদের ভেতর এমনকি আরবি ও ফারসি ভাষার সম্পর্কের চেয়েও বেশি সমগোত্রীয় বন্ধন বিদ্যমান।”২৪০
এ সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে, তিনি আবার বাংলা ভাষা নিয়ে ইতিপূর্বে গবেষণাকারী ‘কয়েকজন ইউরোপীয়’ বুদ্ধিজীবীর মতামতকে ‘ত্রুটিপূর্ণ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। কেননা, “তাঁদের প্রত্যেকেই বাংলার সঙ্গে সংস্কৃতির আদি সম্পর্ক নির্ণয় করতে ব্যর্থ হয়েছেন।”২৪১
বাংলাসহ ভারতীয় সকল ভাষার আদি উৎস হিসেবে সংস্কৃতকে চিহ্নিত করার এই হ্যালেডীয় তত্ত্ব ঐতিহাসিকভাবে বিভ্রান্তিকর এই জন্য যে, প্রথমত ‘সংস্কৃত’ মোটেই কোনো আদি, অকৃত্রিম ও অবিমিশ্র মৌলিক ভাষা নয়, মধ্য-এশিয়ার একটি আর্য-জনগোষ্ঠীর একটি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা থেকে, ইরান হয়ে, উত্তর-পূর্ব ভারতে প্রবেশ করার পর, সে অঞ্চলের একটি ‘প্রাকৃত’ ভাষার সঙ্গে মিশে, প্রথমে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভিন্ন রূপে বিকশিত হয়ে, ও পরে সে অঞ্চলেরই এক ইতিহাসখ্যাত ভাষা-বিশেষজ্ঞের সচেতন প্রয়াসে রচিত ব্যাকরণের মাধ্যমে পরিশুদ্ধ হয়ে সংস্কৃত ভাষা নাম ধারণ করে।
এবার, ঐ আর্য-ভাষাটির ‘সংস্কৃত’ হয়ে ওঠার নৃতাত্ত্বিক-ভাষাতাত্ত্বিক গল্পটি খুব সংক্ষিপ্ত আকারে আলাপ করে, আমরা বাংলা ভাষার প্রকৃত উৎস ও তার বিকাশ প্রক্রিয়ার ওপর সামান্য আলোকপাত করবো।
এখন থেকে প্রায় সাত হাজার বছর আগে থেকে, খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে, দক্ষিণ রাশিয়ার উত্তরে দানিয়ুব নদীর মুখ থেকে ক্যাস্পিয়ান সাগরের তীর ধরে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে, অর্থাৎ মধ্য ও দক্ষিণ ইউরোপে, ইন্দো-ইউরোপীয় জনগোষ্ঠীর একটি বড় শাখা বসবাস করতো। কিন্তু প্রায় চার হাজার বছর আগে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক বিপর্যয়, খাদ্যাভাব কিংবা অন্য কোনো কারণে, এই জনগোষ্ঠীর একটি বিরাট দল নিজেদের আদি বাসস্থান ত্যাগ করে অন্যত্র অভিবাসনের উদ্দেশ্যে ইউরোপের পশ্চিম অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হয়। পশ্চিম ইউরোপের দিকে অগ্রসরমান সেই দলটির একাংশ আবার মধ্য-এশিয়ার বিস্তীর্ণ মালভূমিতে প্রবেশ করে তারা বিভিন্ন স্থানে বসবাস শুরু করে। এই জনগোষ্ঠীটি প্রজন্মান্তর ধরে নিজেদের ‘অরিয়’ বা ‘আর্য’ বলে অভিহিত করতো এবং মধ্য-এশিয়ায় প্রবেশকারী এই জনগোষ্ঠীর উপদলটি নিজেদের প্রজন্মানুক্রমিক ‘অরিয়’ নামের আলোকে তাদের নতুন বাসস্থানের বিরাট অঞ্চলটিকে ‘ইরান’ নামকরণ করেছিল। ইরানে বসবাস করার সময় আদি আর্যদের এই দলটি ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত ফারস অঞ্চলে- বর্তমান ইরানের একটি প্রদেশ যার রাজধানীর নাম ‘সেরাজ’- নিজেদের কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র বা রাজধানী প্রতিষ্ঠা করেছিল। উল্লেখ্য, এই ‘ফারস’ অঞ্চলই পরবর্তীকালে পারস্য বা পার্সিয়া নামে পরিচিত হয় এবং এখানেই ‘ফারসি ভাষার’ উদ্ভব ঘটে। দানিয়ুব নদী ও ক্যাস্পিয়ান সাগর তীরবর্তী অঞ্চল থেকে আগত এই অভিবাসীদের আর্য ভাষা আর ফারস অঞ্চলের স্থানীয় জনসাধারণ, যারা ‘ইলামি’ জনগোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত ছিল, তাদের স্থানীয় ভাষার মিশ্রণের মধ্যদিয়ে যে নতুন ভাষার সৃষ্টি হয়, তা-ই পরবর্তীকালে ‘ফারসি’ ভাষা হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।২৪২
পরবর্তীকালে, বিশেষত খ্রিষ্টীয় তৃতীয় শতক থেকে, একদিকে রাজনৈতিক বিপর্যয় অন্যদিকে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রয়োজনে, দফায় দফায় ফারসি ভাষী নানা ইরানি সম্প্রদায়ের ভারতবর্ষে অভিভাসন ও বণিক সম্প্রদায়সমূহের যাতায়াতের মাধ্যমে ভারতে ফারসি ভাষার আগমন ঘটে। তবে, ভারতে তুর্কী-মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত মুঘলদের শাসনামলে (১৫২৬-১৮৫৭), বিশেষত ১৫৪০ সালে আফগান বংশোদ্ভূত শের শাহ শূরীর (১৪৮৬-১৫৪৫) হাতে ক্ষমতাচ্যুতির ফলে ইরানে আশ্রয় গ্রহণকারী মুঘল সম্রাট হুমায়ুনের (১৫০৮-১৫৫৬) দিল্লির মসনদ পুনরাধিকারের পর থেকে, ১৫৫৫ সালে, তাঁর সঙ্গে ইরান থেকে আসা ফারসিভাষী বিশাল সামরিক-বেসামরিক আমলা বাহিনীর উদ্যোগ ও তৎপরতায় মুঘল ভারতে ফারসিভাষা মুঘল সাম্রাজ্যের ‘প্রশাসনিক ও আদালতের ভাষা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে, ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চলে ফারসির ব্যাপক প্রভাব বৃদ্ধি পায়- কালক্রমে এই ভাষাটির ক্রমবিবর্তিত বিভিন্ন রূপ বাংলাসহ ভারতের আরও অনেক স্থানীয় ভাষাকে বিভিন্ন মাত্রায় প্রভাবিত করে।
ওদিকে, পূর্বোক্ত আর্যদের আরেকটি উপদল বর্তমান ইরানের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে প্রবেশ করে বসবাস করে আসছিল। কিন্তু খ্রিষ্টপূর্ব ৩৩১ সালে, গ্রীসের মেসিডোনিয়া রাজ্যের পররাজ্যগ্রাসী সম্রাট ও তাঁর লুটেরা সেনাবাহিনীর সিপাহসালার, তৃতীয় আলেকজান্ডার (খ্রিষ্টপূর্ব ৩৫৬-খ্রিষ্টপূর্ব ৩২৩), ইউরোপীয় ইতিহাস যাকে ‘মহান বীর’ হিসেবে চিত্রিত করেছে, পারস্যে এক নৃশংস সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন। আলেকজান্ডারের এই সামরিক অভিযানের ফলে, পারস্যের তৎকালীন সম্রাট তৃতীয় ডারিউসের সেনাবাহিনীর সঙ্গে গ্রিক সেনাদলের যুদ্ধ বাঁধে এবং ইরানের গগ্যমিলা প্রান্তরে- যে এলাকাটি বর্তমানে ইরাকের কুর্দিস্তান হিসেবে পরিচিত- সংঘটিত সেই ঐতিহাসিক ‘আরবেলার যুদ্ধে’ সম্রাট ডারিউসের বাহিনী পরাজিত হয়। আলেকজান্ডারের সেনাবাহিনীর এই বিজয়ের ওপর দাঁড়িয়ে পারস্যে গ্রিক সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার সময়, বিজয়ী গ্রিকরা স্থানীয় শহর ও সভ্যতাকে পুড়িয়ে ধ্বংস করে দিয়ে এক ভয়াবহ সন্ত্রাসী পরিস্থিতির সৃষ্টি করলে, সে অঞ্চলে বসবাসরত আর্য-ইরানিদের একটি বড় অংশ খাইবার গিরিপথ ধরে উত্তর-পশ্চিম ভারতে-বর্তমান পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডি অঞ্চলে-পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়।২৪৩
পরবর্তীকালে, নানা কারণে, আরও কয়েক দফায় এই ‘আর্য-ইরানি জনগোষ্ঠী’ দলবদ্ধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিল।
এই আর্য-ইরানিদের ভাষা উত্তর-পশ্চিম ভারতে প্রবেশ করার পর থেকে উত্তর-পশ্চিম ভারতের প্রাকৃতজনের মুখের ভাষা, অর্থাৎ স্থানীয় প্রাকৃত ভাষার সঙ্গে সংমিশ্রণের মাধ্যমে তার রূপ বদলাতে থাকে। এই রূপান্তরিত ভাষাটিকে পরবর্তীকালে অনেক ভারতীয় ভাষাবিজ্ঞানী ‘প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
এমতাবস্থায়, আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতকে, দক্ষিপুত্র পানিনি (খ্রিষ্টপূর্ব ৫২০-খ্রিষ্টপূর্ব ৪৬০), যিনি উত্তর-পশ্চিম ভারতের তক্ষশীলার নিকটবর্তী প্রাচীন গন্ধরার উদিচ্য অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে মনে করা হয়, প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা ও স্থানীয় প্রাকৃত ভাষার সংমিশ্রণে বিকাশমান নতুন ভাষাটিকে, তাঁর নিজের অঞ্চলের প্রচলিত ভাষার অন্তর্নিহিত নিয়ম-কানুনের আলোকে নিজের তৈরি অষ্ট্যাধ্যায়ী ব্যাকরণের নিয়মাবলীর ছকে ফেলে, সংস্কার সাধনের মাধ্যমে একটি ‘পরিশুদ্ধ’ ভাষায় রূপদান করেন। পানিনির হাতে ‘সংস্কার-কৃত’ এই ভাষাটিই পরবর্তীকালে ‘সংস্কৃতি ভাষা’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
স্পষ্টতই, কাস্পিয়ান সাগর তীরবর্তী অঞ্চলের ‘আদি আর্য ভাষা’ নিজেই যখন এশিয়ার ইরান অঞ্চলে রূপান্তরিত ‘আর্য ভাষা’ হিসেবে বিকশিত হয়ে, ভারতবর্ষে প্রবেশ করার পর, উত্তর-পশ্চিম ভারতের একটি স্থানীয় প্রাকৃত ভাষার সহজাত নিয়ম-কানুনের আলোকে নির্মিত ও বিকশিত হয়ে, সংস্কৃত ভাষায় পরিণত হয়েছে, তখন সেই সংস্কৃত ভাষাটিকে হ্যালেড, জোনস বা কেরি কর্তৃক বাংলাসহ ভারতের অন্য সকল ভাষার ‘আদি উৎস’ হিসেবে চিত্রিত করার ঘটনাটি মোটেও ভারতবর্ষের ভাষাতাত্ত্বিক ইতিহাসের সঙ্গে সঙ্গতিপরায়ণ হয়ে ওঠেনি। এমতাবস্থায়, উপনিবেশবাদী ইংরেজ ভাষাগবেষকদের বয়ান মেনে নিলে, স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ধারণাও মেনে নিতে হবে যে, ভারতে আর্যদের প্রবেশের পূর্বে ভারতে কোনো মানুষ বসবাস করতো না, আর করলেও তারা ছিল নিতান্তই মুক- ভাবপ্রকাশের জন্য তাদের কোনো ভাষা ছিল না।
এখানে স্মরণ করা জরুরি যে, এই আর্য সম্প্রদায় ভারতবর্ষে প্রবেশ করার বহু পূর্ব থেকে, প্রায় ৫,০০০ বছরের বেশি সময় আগে, সিন্ধু নদ তীরবর্তী হরপ্পা ও মোহেঞ্জেদারো অঞ্চলে পরিকল্পিত রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, কৃষি-ব্যবস্থা, পয়ঃনিষ্কাশন প্রণালী, ইট নির্মিত ইমারত, স্নানাগার ও নিজস্ব বর্ণমালাসহ একটি রীতিমতো উন্নত নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। তাছাড়া, সিন্ধু নদেরই একটি শাখা সরস্বতী নদীর তীরবর্তী রাখিগড়ি অঞ্চলে, যা বর্তমান ভারতের হরিয়ানা ও রাজস্থানের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত, প্রায় ৭,৫০০ বছর আগে সেচ-ব্যবস্থা সমৃদ্ধ উন্নত কৃষি ব্যবস্থা, পোড়া ইট নির্মিত দালান-কোঠা ও পরিকল্পিত রাস্তাঘাটসহ একটি নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। এখানে বসবাসকারী মানুষদের নিজস্ব ভাষা ও বর্ণমালা ছিল। তাছাড়া, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার অদূরে নরসিংদী জেলার উয়ারী-বটেশ্বর এলাকায় প্রত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমে প্রাপ্ত নানা নিদর্শন থেকে সম্প্রতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে, এখানে ২,৫০০ হাজার বছরেরও পূর্বে একটি নগরকেন্দ্রিক সভ্যতা বিদ্যমান ছিল। স্পষ্টতই, ভারতবর্ষকে ভাষাসহ সভ্যতা তৈরি করার জন্য ব্রিটিশ উপনিবেশবাদী বুদ্ধিজীবীদের কথিত ‘বৈদিক সংস্কৃতভাষী’ আর্যদের আগমনের প্রতীক্ষা করতে হয়নি।
তবে, এখানে দু’টি প্রশ্ন উত্থাপিত হতে বাধ্য যে, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শক্তির প্রতিনিধিত্বকারী হ্যালেড, জোন্স, কেরি প্রমুখ ইংরেজ বুদ্ধিজীবীরা সংস্কৃতভাষাকে বাংলাসহ ভারতের সকল ভাষার ‘আদি উৎস’ হিসেবে চিত্রিত করলেন কেন? অন্যদিকে, ভারতের বিভিন্ন খ্যাতিমান বাঙালি ভাষাতত্ত্ববিদসহ উচ্চ বর্ণের প্রভাবশালী হিন্দু সম্প্রদায়টি ব্রিটিশদের এই ভাষাতত্ত্বকে সাধারণভাবে মেনে নিয়েছিলই বা কেন?
এ প্রসঙ্গে, বাংলাভাষার উপনিবেশায়ন ও রূপান্তরের ইতিহাস গবেষণায় নিয়োজিত একজন তরুণ বাংলাদেশি লেখক ফয়েজ আলমের মীমাংসাটি বিবেচনার দাবি রাখে বৈকি!
উপনিবেশিত জনগোষ্ঠীসমূহকে নানাভাবে বিভাজিত রেখে নিজেদের শাসন-শোষণ প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন রাখার ঔপনিবেশিক রীতি-নীতির প্রতি ইঙ্গিত করে, ফয়েজ আলম লিখেছেন, ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যেহেতু বাংলার মুসলিম শাসকদের হাত থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে নিয়েছিল, সেহেতু ‘ক্ষমতাচ্যুত মুসলমানদের প্রতিপক্ষ হিসেবে ক্ষমতাধর ব্রাহ্মণশ্রেণিকে হাতে নেয়ার চিন্তা ছিল ইংরেজদের’। সেই লক্ষ্যে তারা হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্যের প্রশংসা করে তাদের হাতে রাখার কৌশল গ্রহণ করে এবং ‘উপনিবেশিক নীতির সাথে সাজুয্য রেখেই’ হ্যালেড-জোন্স-কেরি হিন্দুদের মৌলিক ধর্মীয় গ্রন্থাদির ভাষা ‘সংস্কৃতের অতিরিক্ত প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন’।২৪৪
তথ্যসূত্র:
২৪০. প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা:xx
২৪১. প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা:xix
২৪২. আবদুস সবুর খান, বাংলায় ফারাসি ভাষা সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিকাশের ইতিহাস, পৃষ্ঠা: ৮-৯
২৪৩. প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা: ১৯
২৪৪. ফয়েজ আলম, ভাষার উপনিবেশ: বাংলা ভাষার রূপান্তরের ইতিহাস, পৃষ্ঠা: ২১
ইতিহাস, ভাষা ও শিক্ষার ঔপনিবেশিক রাজনীতি ২৭
উপনিবেশোত্তর সমাজ ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর প্রসঙ্গে
নূরুল কবীর
১২ অক্টোবর (সোমবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
