আমি তো জেদ্দায়, মিছিলে গেলাম কীভাবে?’

ইলিয়াসের প্রশ্ন

আমি তো জেদ্দায়, মিছিলে গেলাম কীভাবে?’

ফন্ট সাইজ:

জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে যাওয়ার আটদিন পর সোনাইমুড়ী থানার একটি মামলায় আসামি হয়েছেন মো. আমির হোসেন ওরফে ইলিয়াস (৩৯) নামে এক যুবক। তার দাবি, ঘটনার সময় তিনি সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থান করছিলেন। ইলিয়াস সোনাইমুড়ী উপজেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের আবিরপাড়া-শোকরপুর গ্রামের নতুন বাড়ির শামছুল হকের ছেলে। ভুক্তভোগী পরিবারের ভাষ্য, ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের প্রায় দুই মাস পর ইলিয়াস সৌদি আরবে চলে যান।

পরে চলতি বছরের ২০শে মে ছুটিতে দেশে ফেরেন। এরপর গত ১২ই সেপ্টেম্বর জীবিকার তাগিদে আবারো সৌদি আরবে যান। এর আটদিন পর ২০শে সেপ্টেম্বর সোনাইমুড়ী থানায় করা একটি মামলায় তাকে ১২ নম্বর আসামি করা হয়। মামলায় মোট ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। গণমাধ্যমের কাছে ইলিয়াস অভিযোগ করেন, তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলায় আসামি করা হয়েছে। ‘আমি গত ১২ই সেপ্টেম্বর সৌদি আরবে এসেছি। পরে জানতে পারি, ১৯শে সেপ্টেম্বর’ সকাল ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে সোনাইমুড়ী হাইওয়ে সড়কে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে ওই দিনই মামলা করে। মামলায় আমাকেও আসামি করা হয়। অথচ ওই সময় আমি সৌদি আরবে অবস্থান করছি।

ইলিয়াস আরও অভিযোগ করেন, মামলা থেকে তার নাম বাদ দেয়ার কথা বলে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তার সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকা দাবি করছেন। টাকা দিলে মামলা তুলে নেয়া হবে বলেও তাকে জানানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এ ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নোয়াখালীর পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ইলিয়াস। এ বিষয়ে সোনাইমুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কবির হোসেন মানবজমিনকে জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তিনি যদি তথ্য-প্রমাণ দিতে পারেন তাহলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।