চাঁদা না দেয়ায় কুষ্টিয়ায় কলেজ শিক্ষকের ওপর যুবদলের হামলা

চাঁদা না দেয়ায় কুষ্টিয়ায় কলেজ শিক্ষকের ওপর যুবদলের হামলা

ফন্ট সাইজ:

কুষ্টিয়ার মিরপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মো. মোখলেসুর রহমান নামে এক কলেজ শিক্ষককে হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে যুবদল কর্মী মিজান ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে। আহত শিক্ষককে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত মোখলেসুর রহমান মিরপুর উপজেলার নওদা আজমপুর গ্রামের মৃত খবির উদ্দিনের ছেলে। তিনি আজমপুর টেকনিক্যাল কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক মোখলেসুর রহমানের সঙ্গে স্থানীয় যুবদল কর্মী মিজানের বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে তাদের মধ্যে মামলাও চলমান রয়েছে।

সোমবার দুপুরে কলেজের ক্লাস শেষে বাড়ি ফিরছিলেন মোখলেসুর রহমান। তিনি নওদা আজমপুর মোড়ে পৌঁছালে আগে থেকে সেখানে অবস্থান নেয়া মিজান ও তার অনুসারী রনি, কামাল, ইন্টু, বিপ্লব, হাসান, সাগর, ময়ি খাঁ ও মিঠুসহ কয়েকজন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় হামলাকারীরা হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ওই শিক্ষক। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোখলেসুর রহমান বলেন, জমিজমা নিয়ে তাদের মধ্যে মামলা চলছে। অভিযুক্ত মিজান তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেছিলেন। ওই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর তাকে পরিকল্পিতভাবে হামলা করা হয়েছে। পূর্বশত্রুতার জের ধরে হত্যার উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তবে হামলার বিষয়ে অভিযুক্ত মিজান বা তার অনুসারীদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম শহীদ বলেন, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে মোখলেস নামে এক কলেজ শিক্ষককে মারধরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে আগে থেকেই জমি নিয়ে মামলা চলমান রয়েছে। আহত শিক্ষক বর্তমানে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।