বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনের জীবন্ত কিংবদন্তি খুরশীদ আলম। গানের ভুবনে দেখতে দেখতে তিনি ছয়টি দশক অর্থাৎ ৬০টি বছর পার করেছেন। দীর্ঘদিনের সংগীত জীবনে এই পথচলায় তিনি বহু সিনেমাতে গান গেয়েছেন। বহু গান তার কণ্ঠে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। যার মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখ করা যেতে পারে— ‘চুমকি চলেছে একা পথে’, ‘ও দু’টি নয়নে স্বপনে চয়নে’, ‘এ আকাশকে সাক্ষী রেখে’, ‘আজকে না হয় ভালোবাসো’, ‘চুরি করেছো আমার মনটা’, ‘ও চোখে চোখ পড়েছে যখনই’, ‘ও অনুপমা ও নিরূপমা’, ‘পাখির বাসার মতো দু’টি চোখ তোমার’, ‘প্রেম করেছো তুমি মন দিয়েছি আমি’, ‘চুপি চুপি বলো কেউ জেনে যাবে’, ‘যদি বউ সাজো গো’, ‘পাথরের পৃথিবীতে কাঁচের হৃদয়’ ইত্যাদি। খুরশীদ আলমের গানের ভুবনে ৬০ বছরের পথচলা উপলক্ষে টেলিভিশন জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ (টিজেএফবি)’র উদ্যোগে গতকাল বিকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘সুরের জীবন্ত কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী খুরশীদ আলমের সংগীতের ৬০ বছর’ শিরোনামে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা জানাতে উপস্থিত হয়েছিলেন বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনের প্রাণপুরুষ সৈয়দ আব্দুল হাদী’সহ তার পরবর্তী প্রজন্মের বেশ ক’জন সংগীতশিল্পী। খুরশীদ আলম বলেন, দেখতে দেখতে গানের ভুবনে পথচলার ৬০ বছর চলে গেল। মাঝে মাঝে নিজেই ভাবলে বিস্মিত হই যে, যেন এক পলকেই চলে গেল এতটা বছর। তবে হ্যাঁ, এটা সত্যি যে আমার পরম সৌভাগ্য দেশে যখন গানের স্বর্ণযুগের শুরু হলো সেই সময়টাতে আমি গান গাওয়া শুরু করতে পেরেছিলাম বিধায় আমার কণ্ঠে বেশ কিছু জনপ্রিয় গান হয়েছে; যা বাংলাদেশের গানপ্রেমী শ্রোতারা এখনো শোনেন। পথে-ঘাটে মানুষ আমাকে যে ভালোবাসা প্রদর্শন করেন, যে সম্মান দেখান— তাতে সত্যিই আমি মুগ্ধ। ধন্যবাদ জানাই আজকের অনুষ্ঠানের আয়োজকদের। তাদের উদ্যোগেই আজকের অনুষ্ঠান সুন্দরভাবে সম্পন্ন হলো। বিশেষ ধন্যবাদ টিজেএফবি’র সভাপতি রেদুয়ান খন্দকারকে।
