মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের বিবাহ নথিভুক্ত করতে কাজিদের ক্ষমতা লুপ্ত করে আইন পাস হয়েছিল ২০২৪ সালে। তবে এতদিন জানানো হয়নি সেই দায়িত্ব কে পালন করবেন। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, এবার থেকে মুসলিমদের বিবাহ রেজিস্ট্রেশনের জন্য রেজিস্ট্রারের কাছে যেতে হবে।
হিমন্তের বক্তব্য, নতুন ব্যবস্থার ফলে মুসলিম বিবাহগুলিও সঠিক ভাবে সরকারি নথির আওতায় আসবে। একটি সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন. এবার সেই দায়িত্ব নেবেন রেজিস্ট্রারেরাই। তিনি বলেছেন, ‘‘আসাম মুসলিম ম্যারেজ রেজিস্ট্রেশন (কম্পালসারি) রুলস্, ২০২৬ অনুমোদন করা হল যাতে গোটা রাজ্য জুড়ে বিবাহ নথিভুক্ত করার জন্য একটাই প্রক্রিয়া বলবৎ থাকে। এবার থেকে মুসলিম বিবাহগুলিও সরকারি রেজিস্ট্রারেরাই নথিভুক্ত করবেন।’
১৯৩৫ সালে আসাম মুসলিম ম্যারেজ অ্যান্ড ডিভোর্সেস রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী মুসলিমদের জন্য বিবাহ নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক ছিল না। ২০১০ সালে সেই আইন পরিবর্তন করে বিবাহ নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়। যদিও নথিভুক্ত করার ক্ষমতা কাজীদের হাতেই ছিল। এর পর ২০২৪ সালের আসাম মুসলিম বিবাহ এবং বিচ্ছেদ বাধ্যতামূলক নথিভুক্তি আইনের মাধ্যমে সেই ক্ষমতা লোপ করা হলেও জানানো হয়নি সেই দায়িত্ব কে পালন করবেন। এবার এই অনুমোদনের ফলে সেই দায়িত্ব পেলেন সরকারি রেজিস্ট্রারেরা।
আসামে কাজিদের ক্ষমতা লুপ্ত করে বিবাহ রেজিস্ট্রেশন রেজিস্ট্রারের হাতে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা
ভারত
২ ঘন্টা আগে
২৫ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার), ২০২৬, ৩ঃ৫২ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
