ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় দুই নৃত্যশিল্পীকে দলবেঁধে ধর্ষণ, সিলেটে গ্রেপ্তার রাকিব

ফন্ট সাইজ:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই নৃত্যশিল্পীকে নৌকা করে নিয়ে দলবেধে ধর্ষণের মামলার প্রধান আসামি মুজাহিদ ওরফে রাকিবকে সিলেটে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরআরবি-৯’র একটি টিম অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার রাতে তাকে বিয়ানীবাজার থেকে গ্রেপ্তার করে। রাকিব প্রাথমিকভাবে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানায় এসআরবি। এসআরবি-৯ জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘রাকিব’ ছদ্মনাম ব্যবহার করে গত ৮ই সেপ্টেম্বর একটি পেশাদার নৃত্যশিল্পী দলকে সরাইলে অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার আমন্ত্রণ জানান মুজাহিদ। অনুষ্ঠানের জন্য ৯ হাজার টাকায় চুক্তি করে ২ হাজার টাকা অগ্রিমও দেয় সে। ১০ই সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ওই তরুণ এক কিশোরী ও এক তরুণীকে নিয়ে সরাইল বিশ্বরোড মোড়ে পৌঁছান।

পরে রাকিবসহ দুই যুবক তাদের সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে শাহবাজপুর সেতু এলাকায় নিয়ে যান। সেখান থেকে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে তাদের তিতাস নদীতে নেয়া হয়। নৌকায় আরও তিন যুবক ছিলেন। একপর্যায়ে নদীর মাঝখানে নৌকার ইঞ্জিন বন্ধ করে দেন পাঁচ যুবক। পরে তরুণ শিল্পীকে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে তার সঙ্গে থাকা দুই নারী শিল্পীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিকাল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত ৮টার দিকে তিন শিল্পীকে তিতাস নদীর নাসিরনগর উপজেলার ভূঁইয়ার ঘাট এলাকায় কাদাপানিতে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা নৌকা নিয়ে চলে যান।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা সরাইল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। ঘটনার পর পুলিশ প্রথমে শান্ত বিশ্বাস নামে আসামিকে আটক করে।
পরবর্তীতে ওই আসামির দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার অভিযান চালিয়ে বিয়ানীবাজার থেকে প্রধান আসামি মুজাহিদকে আটক করে এসআরবি-৯। মুজাহিদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানার বুড্ডা গ্রামের আঙ্গুর মিয়ার ছেলে।