গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ধর্ষণের শিকার এক নারীর সঙ্গে দেখা করে তার পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা। বুধবার জেলা এনসিপি’র সদস্য সচিব ফেরদৌস আমিনার নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা ফলমূল নিয়ে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। সেখানে তারা ভুক্তভোগী নারীর খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় ফেরদৌস আমিনা বলেন, গত ৮ই সেপ্টেম্বর রাতে টুঙ্গিপাড়ায় সন্তানদের সামনে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পাটগাতী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি সোহাগ গাজীসহ চারজন জড়িত বলে ভুক্তভোগীর অভিযোগের কথা উল্লেখ করেন তিনি। এ ঘটনায় দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও বাকি দু’জন এখনো গ্রেপ্তার হয়নি বলেও জানান- তিনি। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি জানান- ফেরদৌস আমিনা। একইসঙ্গে তিনি ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে থাকার এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।
এদিকে, ঘটনার পর ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে টুঙ্গিপাড়া থানায় মামলা করেন। ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ সোহাগ কাজী ও স্থানীয় আকবর আলী কাজীকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। বর্তমানে মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করার সময় এনসিপি’র জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক তৌহিদুল ইসলামসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এনসিপি’র সদস্য সচিব ফেরদৌস আমিনা বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে থাকবে এনসিপি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবারটিকে সহযোগিতা করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ৮ই সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতী ইউনিয়নের পারকোনা মাদ্রাসা এলাকায় ঘরে ঢুকে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। পরে এ ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ দু’জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
