ক্যারিয়ারে একটি টেস্টই খেলেছেন তাওহীদ হৃদয়। জিম্বাবুয়ে সফরে ওই টেস্টের দুই ইনিংসে তাওহীদ করেন সাকুল্যে ১২ রান। তবে দীর্ঘপরিসরের ক্রিকেটে সাম্প্রতিক নৈপুণ্য দিয়ে ভক্তদের আশা জাগাচ্ছেন হৃদয়।
‘এ’ দলের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ইতিহাস গড়া ট্রিপল সেঞ্চুরি করেন তাওহীদ। এতে আগামী নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে বাংলাদেশের টেস্ট দলে তার ডাক পাওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল। তাওহীদ হৃদয়কে টেস্ট দলে কীভাবে মূল্যায়ন করছেন? গতকাল এমন প্রশ্নের উত্তরে বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল বলেন, ‘জিম্বাবুয়েতে লিটনের চোটের কারণে তাওহীদের টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। সেখানে ভালো করতে না পারলেও সে দ্রুত ভুলগুলো শুধরে নিয়েছে। দেশে নিবিড় অনুশীলনের পর দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়ে হার না মানা ৩৫০ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেছে। শেষ ১০ মাসে আমি ওর নিবেদন দেখেছি; ওর কাজের ধরন বেশ আধুনিক। পরিস্থিতিভিত্তিক ম্যাচ অনুশীলনে ও জোর দেয়। সাদা বলে শেষ ১০ মাসে ওয়ানডেতে প্রায় ৬১ গড় এবং টি-টোয়েন্টিতে ৪৫ গড় ও ১৪০ স্ট্রাইক রেটে রান করেছে। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও ওর রেকর্ড চমৎকার। আমাদের টেস্ট দলটা এখন অভিজ্ঞ ও গোছানো।
আশা করি, সুযোগ পেলে তৌহিদ নিজের সেরাটা দেবে।’ গত মাসে পচেফস্ট্রুমে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে চার দিনের ম্যাচে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে অপরাজিত ৩৫০ রানের ইনিংস খেলেন তাওহীদ হৃদয়। ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটারের এটিই সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস। তিনি ভেঙে দিয়েছেন ২০১৯-২০ মৌসুমে করা তামিম ইকবালের অপরাজিত ৩৩৪ রানের রেকর্ড। ইনিংসে তাওহীদ ৪৮১ বল মোকাবিলা করেন এবং ২৭টি চার ও ১০টি ছক্কা হাঁকান।
