বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে বাংলাদেশের উদ্যোগ ‘অনুসরণযোগ্য’: আঙ্কটাড

ফন্ট সাইজ:

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা (আঙ্কটাড) বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগকে কার্যকর বাস্তবায়নের ‘অনুসরণযোগ্য উদাহরণ’ হিসেবে তুলে ধরেছে, বলছে জাতীয় বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সহায়ক সংস্থা ইনভেস্ট বাংলাদেশ।

ইনভেস্ট বাংলাদেশ এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ‘বুধবার জেনেভায় অনুষ্ঠিত আঙ্কটাডের বিনিয়োগ, উদ্যোগ ও উন্নয়ন কমিশনের ১৬তম অধিবেশনে বাংলাদেশ ও তিউনিসিয়ার বিনিয়োগনীতি সংস্কারের উদ্যোগকে অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের জন্য কার্যকর মডেল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনীতি, সরবরাহব্যবস্থা ও বিনিয়োগ প্রবাহে পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে উন্নয়নশীল দেশগুলো কীভাবে নিজেদের বিনিয়োগ নীতি নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য করছে, তা নিয়ে কমিশনের অধিবেশনে আলোচনা হয়। বাংলাদেশ বিষয়ক আলোচনার ভিত্তি ছিল আঙ্কটাডের বাংলাদেশের বিনিয়োগ নীতি পর্যালোচনার বাস্তবায়ন প্রতিবেদন।’

ইনভেস্ট বাংলাদেশ বলছে, প্রতিবেদনে ২০১৩ সালে প্রকাশিত বাংলাদেশের প্রথম বিনিয়োগ নীতি পর্যালোচনার সুপারিশ বাস্তবায়নে অগ্রগতি মূল্যায়ন করা হয়েছে। এতে নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়া সহজীকরণ, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়, ডিজিটাল বিনিয়োগসেবা এবং বিনিয়োগ উন্নয়ন সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা বলা হয়েছে।

এদিকে আঙ্কটাডের ‘বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন ২০২৬’-এও বৈশ্বিক বিনিয়োগের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অবস্থানের ইতিবাচক দিক উঠে এসেছে। গত বছর গ্রিনফিল্ড বিনিয়োগ পাওয়া অল্পসংখ্যক স্বল্পোন্নত দেশের মধ্যে বাংলাদেশকে বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যের বরাত দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালে দেশে নিট প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ বা এফডিআই ৩৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ বেড়ে ১ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। একই প্রতিবেদনে ২০২৫ সালে বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিল করা দেশগুলোর মধ্যেও বাংলাদেশের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আঙ্কটাড এ ধরনের পদক্ষেপকে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিনিয়োগ পরিবেশ সহজ করার উদ্যোগ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের নির্বাহী সদস্য নাহিয়ান রহমান রোচি। তিনি বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে বাংলাদেশের বাস্তবায়নকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।