দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় আসা বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতেগড়া দলটির ঝাণ্ডা এখন তার জ্যেষ্ঠপুত্র তারেক রহমানের হাতে। ফ্যাসিবাদী আমলে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম করা দলটির সামনে এখন সুসময়। ক্ষমতার এই আলো কি দলের ভেতরের অন্ধকার দূর করতে পেরেছে? আন্দোলনে সক্রিয় নেতাদের অনেকে এখন সরকারের অংশ। কেউ মন্ত্রিসভায়, কেউ সংসদে, কেউবা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে। তারা তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন না বলেও অভিযোগ উঠেছে। আবার অনেকে এখন নিজের আখের গোছাতে সাংগঠনিক কর্মসূচির বদলে সচিবালয়, সংসদ ও প্রশাসনের নানা জায়গায় ছুটে বেড়াচ্ছেন। ফলে দল ও সংগঠন একরকম স্থবির হয়ে পড়েছে। কেন্দ্র থেকে তৃণমূল- সবখানেই এখন চলছে নতুন হিসাবনিকাশ। ওদিকে সরকার গঠনের পর গত ছয় মাসে দৃশ্যমান হয়েছে এক ভিন্ন বিএনপি। বাড়ছে অভ্যন্তরীণ কোন্দল। তৃণমূলে আধিপত্যের লড়াইয়ে ঘটছে খুনোখুনি। কোথাও কোথাও দখল ও চাঁদাবাজির ঘটনায় নিজেরা নিজেরাই বিবাদে জড়াচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সাফল্য। রাষ্ট্রক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনসহ সবমিলিয়ে বিএনপি’র সুসময়ই চলছিল। মাঠের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও ফিরেছিল উচ্ছ্বাস। কিন্তু ক্ষমতার এই সুসময় কি দলের ভেতরেও স্বস্তি এনেছে? সেই প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। তাদের অভিযোগ, রাজপথের ত্যাগী নেতাদের দল এখন মূল্যায়ন করছে না। এখন সুবিধাভোগীরা দলে ভিড়ছে। আবার নেতারা সরকার পরিচালনার ব্যস্ততা, যে কারণে দলীয় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ভাটা পড়েছে। ক্ষমতার বাইরে থাকার সময়ের বিএনপি আর ক্ষমতায় আসার পরের বিএনপি’র মধ্যে তৈরি হয়েছে দৃশ্যমান পার্থক্য। নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও আগের মতো নেতাকর্মীদের সেই জমজমাট উপস্থিতি নেই। তবে রুহুল কবির রিজভী দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর ফের কার্যালয়মুখী হচ্ছেন নেতাকর্মীরা।
বিএনপি’র কয়েকজন সিনিয়র ও তৃণমূলের নেতার সঙ্গে কথা হয়েছে মানবজমিনের। তারা জানিয়েছেন, বিএনপি সরকার গঠনের পর দলের সামনে একদিকে যেমন এসেছে নিজেদের রাজনৈতিক সাফল্যকে স্থায়ী করার সুযোগ, অন্যদিকে তৈরি হয়েছে চাপ। কারণ ক্ষমতার সঙ্গে বেড়েছে প্রত্যাশাও। পদ-পদবি, সরকারি সুযোগ-সুবিধা, স্থানীয় রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার, নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ- এসব মিলে দলের ভেতরে তৈরি হচ্ছে নানা সমীকরণ। ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে রাজপথের নেতাদের সঙ্গে নতুন করে সামনে আসা নেতৃত্বের দূরত্ব ও টানাপড়েন তৈরি হয়েছে। তবে দলের সিনিয়র নেতারা এসব সংকটের কথা স্বীকার করতে চাইছেন না। তাদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন পর ক্ষমতায় এসে বিএনপি এখন সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার কাজেই মনোযোগী।
বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মানবজমিনকে বলেন, বিএনপি’র সাংগঠনিক অবস্থা অত্যন্ত শক্তিশালী রূপেই বিদ্যমান আছে। আমরা বিভিন্ন সভা ও পাবলিক মিটিংয়ে সেটা দেখতে পেয়েছি। রাজনৈতিক যে দলটা এখন ক্ষমতায় আছে, তৃণমূলের কর্মী থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও সরকারের অংশ। তাহলে সরকার ভালো কাজ করলে, গঠনমূলক কাজ করলে জনগণের মধ্যে প্রশংসা হবে। তখনই দলের ইমেজ বৃদ্ধি হবে।
এদিকে বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, পোস্টার প্রকাশসহ পাঁচ দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। দীর্ঘ দেড় যুগ পর অনুকূল পরিবেশে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্?যাপন করছে বিএনপি। ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর প্রাণ ফিরে পায় দলটি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘ সাড়ে চার দশকেরও বেশি সময়ের রাজনৈতিক পথচলায় বিএনপি কখনো ক্ষমতায় থেকেছে, কখনো আন্দোলনে। বিগত দেড়যুগ রাজপথেই কেটেছে বিএনপি নেতাকর্মীদের। বিএনপি এমন একটি সময়ে আটচল্লিশে পা রাখছে, যখন দীর্ঘ দেড় যুগের ঘোর অমানিশা কাটিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় দলটি। তবে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানোত্তর রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিএনপি’র সামনে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জও তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য ধরে রাখাই এখন মুখ্য চ্যালেঞ্জ। পাশাপাশি সংসদে সংবিধান সংশোধন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে দীর্ঘদিনের মিত্র জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েন দলটিকে দ্বিধায় ফেলেছে।
১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট পরবর্তী নানা ঘটনা প্রবাহের মধ্যদিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসেন তৎকালীন সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। এরপর ১৯৭৮ সালের ১লা সেপ্টেম্বর ঢাকার রমনা রেস্তরাঁয় এক সংবাদ সম্মেলনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। ১৯৮১ সালের ৩০শে মে বিপথগামী সেনাসদস্যদের হাতে শহীদ হওয়ার আগ পর্যন্ত জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিলেন। তবে প্রতিষ্ঠার পর নানা ঘাত-প্রতিঘাত সইতে হয়েছে বিএনপিকে। নানা ঘটনার মধ্যদিয়ে ১৯৮৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বিএনপি’র হাল ধরেন তারই সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়া। এরপর বেগম খালেদা জিয়ার দৃঢ়চেতা, আপসহীন ও সুদূরপ্রসারী নেতৃত্বে বিএনপি এগিয়েছে দুর্দান্ত গতিতে। দোর্দণ্ড প্রতাপশালী স্বৈরশাসক মরহুম এরশাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে এক দশকের মাথায় ১৯৯১ সালে বিপুল সমর্থন নিয়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছিল বিএনপি। এরপর ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে বিএনপি।
গত ৪২ বছর বিএনপি’র নেতৃত্ব দিয়েছেন জিয়াউর রহমানের স্ত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। ২০১৮ সালে খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর প্রায় ৭ বছর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পদবি নিয়ে তারেক রহমান মূলত দল চালিয়ে আসছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩০শে ডিসেম্বর মারা যান। মায়ের মৃত্যুর পর চার দশকের বেশি সময় পর নতুন চেয়ারম্যান পায় বিএনপি। সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত এ দলের হাল ধরেছেন তারই বড় ছেলে তারেক রহমান।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কর্মসূচি: প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সকাল ৬টায় বিএনপি’র নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৯টায় বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। আগামী শনিবার বেলা ৩টায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বিএনপি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা, এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এ ছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পোস্টার প্রকাশ হয়েছে এবং বৃক্ষরোপণ ও মৎস্য অবমুক্তকরণ কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। অনুরূপভাবে সারা দেশে জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং এর ইউনিটগুলো পহেলা সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সুবিধাজনক সময়ে আলোচনা সভা এবং অন্যান্য কর্মসূচি পালন করবে। সাফল্যের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল এক বাণীতে তিনি বলেন, আজকের দিনটি বাংলাদেশি মানুষের জন্য আনন্দ, উদ্দীপনা ও প্রেরণার। ১৯৭৮ সালের এই দিনে এক শুভ বিকালে ঢাকার রমনা বটমূলের খোলা চত্বরে (রমনা রেস্তরাঁ প্রাঙ্গণে) বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাসে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠা ছিল একটি যুগান্তকারী ঘটনা। মানুষের বাকস্বাধীনতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করে ১৯৭৫ সালের ২৫শে জানুয়ারি অভিশপ্ত একদলীয় ‘বাকশাল’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসে প্রথমেই দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
তিনি বলেন, নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় সময়ের প্রয়োজনে নতুন রাজনৈতিক দল বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ফলে বাংলাদেশে বহুমাত্রিক গণতন্ত্রের নতুন করে পথচলা শুরু হয়। বিএনপি’র গৌরবময় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এইদিনে আমি স্বাধীনতার মহান ঘোষক, সফল রাষ্ট্রনায়ক ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এইদিনে আমি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি’র চেয়ারপারসন দেশনেত্রী মরহুম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি, যিনি তার সম্মোহনী ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্ব দিয়ে বিএনপিকে বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলেন।
তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্র কিংবা সুশাসন প্রতিষ্ঠাই নয়, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায়ও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে, করছে। দেশে যতবারই স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র হুমকির সম্মুখীন হয়েছে, ততবারই গণতন্ত্রকামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি’র নেতাকর্মী, শুভার্থী ও সমর্থকগণ অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন। দেশে গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত যারা প্রাণ উৎসর্গ করেছেন, আহত হয়েছেন, আমি সকল পর্যায়ের সেই নেতাকর্মীর অবদানকেও গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি।
তিনি আরও বলেন, দেশে যতবারই জনগণ নির্ভয়ে অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে ভোট দেয়ার সুযোগ পেয়েছে, ততবারই বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে। বিভিন্ন মেয়াদে সরকার পরিচালনার সময় দেশে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার লক্ষ্যে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, নারী শিক্ষার প্রসারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বিএনপি সরকারের আমলে নেয়া হয়েছে। দেশে গণতন্ত্র সমুন্নত রাখা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য বিএনপি’র উদ্যম ও উদ্যোগের ফলে দলটি দেশবাসীর কাছে এখন সর্বাধিক জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের অবসানের পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণ আবারো বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। দেশের জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই বিএনপি জনগণের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চায়। সেই লক্ষ্যেই বাংলাদেশকে একটি জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য বিএনপি সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলছে। জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অক্ষুণ্ন রেখে বিএনপি’র প্রতিটি নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভার্থী দেশমাতৃকার সেবায় নিজেদের নিবেদন করে আগামী দিনগুলোতেও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে, দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপি’র সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। বিএনপি’র অপর নাম- একটি জনকল্যাণমূলক, গণতান্ত্রিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম। বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এইদিনে আমি আবারো গণতন্ত্রকামী, স্বাধীনতাপ্রিয় দেশবাসীকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানাই।
