সদর ও ফতুল্লা সার্কেলের এসিল্যান্ডসহ ১৮ কর্মকর্তা কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

নারায়ণগঞ্জে ভূমি অফিসে প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন

সদর ও ফতুল্লা সার্কেলের এসিল্যান্ডসহ ১৮ কর্মকর্তা কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

ফন্ট সাইজ:


নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা সার্কেল ভূমি অফিসে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের আকস্মিক পরিদর্শনের পর সদর ও ফতুল্লা সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) (এসিল্যান্ড)সহ ১৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। গতকাল বিকালে তাদের শোকজ নোটিশ দেয়া হয় বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রায়হান কবির। জেলা প্রশাসক জানান, শোকজ পাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ সদর সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আক্তার এবং ফতুল্লা সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) অং মাচিং মারমা রয়েছেন।

তবে ছুটিতে থাকায় সিদ্ধিরগঞ্জ সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবযানী করকে শোকজ করা হয়নি। এ ছাড়া সদর, ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ সার্কেলের কানুনগোসহ মোট ১৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক বলেন, প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনের সময় যারা অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন, তাদের সবাইকে শোকজ করা হয়েছে। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত পৃষ্ঠা সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব পাওয়া না গেলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন: সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা সার্কেল ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শনে যান ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। সময় তিনি ভূমি সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের বসার পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে কিনা, তা পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি কর্মকর্তারা কখন অফিসে প্রবেশ করছেন, সেটিও তিনি লক্ষ্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী একই কমপ্লেক্সে থাকা সদর, ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জÑ তিনটি সার্কেল ভূমি অফিস পরিদর্শন করেন। এ সময় কয়েকটি অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুপস্থিত দেখতে পান তিনি। তবে হাজিরা খাতায় অনেকের স্বাক্ষর আগে থেকেই দেয়া ছিল বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এ ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত না থাকলেও অনেকের হাজিরা দেয়া হয়ে গেছে। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’