বাংলা কিউআর নিয়ে আরও সচেতনতা বাড়াতে হবে- ড. শাহ মো. আহসান হাবীব

ফন্ট সাইজ:

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট বা বিআইবিএম-এর অধ্যাপক ড. শাহ মো. আহসান হাবীব বলেছেন, অনেক দেশে সব ধরনের পেমেন্ট করা হচ্ছে কিউআর কোডে। আমার ধারণা সময়ের সঙ্গে মানুষের মনে হবে যে এটিই ঠিক আছে। কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেনের ক্ষেত্রে শুরুতে যে জটিলতা ছিল তা ধীরে ধীরে দূর হবে বলেই মনে করেন তিনি। তার মতে, মানুষজনকে একটু সচেতন করতে হবে। কারণ মানুষ কিন্তু এখনো কম্ফোর্টেবল হয় নাই। আমাদের সবার হাতে মোবাইল ফোনও থাকতে হবে, যাতে আমরা ব্যবহার করতে পারি। আবার মোবাইল ফোন থাকলেই যে মানুষ কম্ফোর্টেবল তা কিন্তু নয়।

বিশেষ করে রুরাল এলাকায় এটা যতটা সহজ করা যায় ততই ভালো। আশেপাশের দেশগুলোতে আফ্রিকা, ইন্ডিয়া, চীনসহ মুদি দোকান থেকে শুরু করে সব জায়গায় ক্যাশলেস লেনদেন বহুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য কিউআর কোড পদ্ধতি আরও বেশি কার্যকর উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছোট ব্যবসায়ীরাই বরং বেশি সুবিধা পাবেন। আপনার টাকা কোথায় রাখবেন, দোকান থেকে ফেরার সময় ছিনতাইকারী ধরলো কিনা এসব চিন্তা থাকবে না। বাংলা কিউআর নিয়ে মানবজমিনের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. শাহ মো. আহসান হাবীব বলেন, অনলাইন ট্রানজেকশনে সবচেয়ে সহজ ব্যাপার হলো- লেনদেনে আমার ২০ টাকা ২০ পয়সা আসছে বা ২০ টাকা ৫০ পয়সা আসছে। কিন্তু ২১ টাকা দেয়া যায় না। ডিজিটাল লেনদেনে যা আসবে তাই দেয়া যাচ্ছে। কোনো ঝামেলা নাই। এবং দ্রুত লেনদেন করা যায়। কিন্তু বাধাটা হলো মানুষের মধ্যে মানুষের মাঝে এওয়ারনেস ডেভেলপমেন্টের প্রয়োজন। ছোট ছোট দোকান থেকে শুরু করে সবার মধ্যে এখনো বিষয়টির বেনিফিট ক্লিয়ার না।