মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি

এফডব্লিউসিএমএস-এর মাধ্যমে বিদেশি কর্মী নিয়োগের আবেদন সম্পন্ন হবে

ফন্ট সাইজ:

বিদেশি কর্মী নিয়োগের আবেদন এখন সম্পূর্ণ অনলাইনের মাধ্যমে ‘ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’- (এফডব্লিউসিএমএস)-এ করা হচ্ছে। এর ফলে আজ থেকে নিয়োগকর্তাদের সরাসরি কোনো সরকারি দপ্তরে উপস্থিত হওয়া বা ম্যানুয়ালি আবেদন জমা দেয়ার প্রয়োজন হবে না।
দেশটির জাতীয় সংবাদ সংস্থা বারনামা মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের (কেসুমা) উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, সরকারি দপ্তরে বারবার যাতায়াত কমানো, অপেক্ষার সময় সংক্ষিপ্ত করা এবং পুরো প্রক্রিয়াটিকে আরও সুসংগঠিত ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যেই এই ডিজিটালাইজেশন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের মানে বিদেশি কর্মী নিয়োগের নিয়মকানুন শিথিল করা হয়নি।

এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘সকল আবেদনই কঠোর যাচাই-বাছাই, প্রচলিত আইন, যোগ্যতা, বিদেশি কর্মী নিয়োগ নীতি এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর (একেএস) পর্যালোচনার আওতাধীন থাকবে।’
বারনামা লিখেছে, কেসুমা জানিয়েছে, ১৯৫৫ সালের কর্মসংস্থান আইনের ধারা ৬০কে এর অধীনে নিয়োগকর্তাদের বিদেশি কর্মী নিয়োগের পূর্বানুমোদন এবং ‘শর্তসাপেক্ষ অনুমোদন সনদ’- (এসকেবি) অর্জনের মাধ্যমে এই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়। সকল তথ্য সঠিকভাবে পূরণ এবং নির্ধারিত শর্তাবলী পূরণ সাপেক্ষে ১৪ দিনের মধ্যে এই এসকেবি পাওয়া যাবে। নিয়োগকর্তারা িি.িভপিসং.পড়স.সু ওয়েবসাইট থেকে এফডব্লিউসিএমএস ব্যবহার করতে পারবেন। এদিকে, গত ২৪শে জুলাই প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম রেস্তরাঁ খাতের জন্য ১৫ হাজার বিদেশি কর্মীর কোটা খোলার যে ঘোষণা দিয়েছিলেন, সে অনুযায়ী নিয়োগকর্তাদের আবেদন সুবিধার্থে পর্যায়ক্রমে কোটা বরাদ্দের পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে কেসুমা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘এই কোটার মধ্যে ১ হাজার ৩৩ জন নিয়োগকর্তার অধীনে থাকা ৫ হাজার বিদেশি কর্মীর আবেদন, যাদের সাক্ষাৎকার ইতিপূর্বে সম্পন্ন হয়েছে, তা বর্তমানে অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছে।’

যেসব নিয়োগকর্তার সাক্ষাৎকার সম্পন্ন হয়েছে অথবা যারা নতুন করে আবেদন করতে চান, তাদের এফডব্লিউসিএমএস-এর মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করার পরামর্শ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
বারনামা আরও লিখেছে, সংশ্লিষ্ট অন্য এক সূত্রে কেসুমা আরও জানিয়েছে, কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদেশি কর্মীদের আগমনকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত ভিড় সামলাতে একটি ‘ফরেন ওয়ার্কার ট্রানজিট সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবটি সংশোধন করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে একটি পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে এটি চালু করা হবে।