৩ দিন পর এক্সিলারেট টার্মিনালের গ্যাস সরবরাহ শুরু

৩ দিন পর এক্সিলারেট টার্মিনালের গ্যাস সরবরাহ শুরু

ফন্ট সাইজ:

এলএনজি সরবরাহের অভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল আবারো চালু হয়েছে। স্পট মার্কেট থেকে কেনা বৃটিশ পেট্রোলিয়ামের (বিপি) এলএনজিবাহী একটি কার্গো নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই দেশে পৌঁছানোর পর টার্মিনালে এলএনজি খালাস শুরু হয়েছে। এতে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহও বাড়তে শুরু করেছে। গতকাল বিকালে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে এক্সিলারেট। তবে গ্যাস সংকট পুরোপুরি কাটতে আরও কিছুদিন লাগতে পারে।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুর ২টার দিকে টার্মিনালটি থেকে পুনরায় সরবরাহ শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে দৈনিক প্রায় ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে, যা অপারেশন স্থিতিশীল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে। দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত দু’টি এফএসআরইউ থেকে দেশে মোট এলএনজি সরবরাহের পরিমাণ ছিল ৬৭০ এমএমসিএফডি। অন্যদিকে জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২,৩০০ এমএমসিএফডিতে।

এর আগে টানা ২৫ দিনের তীব্র গ্যাস-সংকটের পর ১৫ই আগস্ট সামিটের টার্মিনাল পুরোদমে এবং এক্সিলারেটের টার্মিনাল আংশিক চালু হলে গ্যাস সরবরাহ বাড়ে। তবে এলএনজি’র নতুন কার্গো না থাকায় এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ কমতে কমতে গত বুধবার বিকালে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। আজ (শনিবার) জাহাজ আসার পর টার্মিনালে থাকা মজুত থেকে সরবরাহ শুরু করেছে তারা।

পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএল সূত্র বলছে, দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। সর্বোচ্চ ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেয়া হয়। এর মধ্যে এলএনজি থেকে সরবরাহ করা হতো ১০৫ কোটি ঘনফুট, বাকিটা দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদন করা হয়। এক মাস ধরেই এলএনজি সরবরাহ হচ্ছে গড়ে সক্ষমতার অর্ধেকের মতো।