৬ মাসে ৫১২ অপহরণ

‘আপনার স্বামী কিডন্যাপ হয়েছে, দ্রুত টাকা পাঠান’

ফন্ট সাইজ:

হাসিবুর হাসান। পেশায় একজন দন্ত চিকিৎসক। বুধবার সন্ধ্যায় জলসিঁড়ি মাস্টার ফার্মেসিতে রোগী দেখার উদ্দেশ্যে যাওয়ার জন্য কুড়িল বিশ্বরোড রাস্তার পাশে অপেক্ষা করছিলেন। হঠাৎ একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাস এসে থামে তার সামনে। মাইক্রোবাসের চালক তাকে জলসিঁড়ি পৌঁছে দেয়ার কথা বলে গাড়িতে তুলে নেয়। কিছুক্ষণ পরই মাইক্রোবাসে যাত্রী বেশে থাকা লোকগুলো হাসিবুরের হাত-পা, চোখ ও মুখ বেঁধে ফেলে। এরপর তারই ফোন দিয়ে তার পরিবারের কাছে ফোন করে বলে- আপনার স্বামী কিডন্যাপ হয়েছে। দ্রুত এক লাখ টাকা পাঠান। পরে হাসিবুরের ফোনের মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১২ হাজার টাকাও পাঠায় তার পরিবার। এরপর হাত, চোখ, মুখ-বাঁধা অবস্থায় পূর্বাচলের ১৯ নম্বর সেক্টরের একটি নির্জন জঙ্গলে হাসিবুরকে ফেলে চলে যায় দুর্বৃত্তরা।

পরে গোঙানির শব্দ শুনে ওই এলাকায় টহলরত আনসারের এক?টি দল তাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। শুধু হাসিবুরই নয়, এমন ঘটনা এখন প্রায়ই ঘটছে। যা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। সবশেষ গতকালও রাজধানীর খোদ তেজগাঁও থানার বাউন্ডারির মধ্য থেকে এক পুলিশ সদস্যের তিন বছরের ছেলে বাচ্চা খোয়া গেছে। অনেকে অপহরণের কথা বললেও তেজগাঁও থানার ওসি ক্যশৈনু মারমার দাবি- থানা কোয়ার্টারে থাকা এক পুলিশ সদস্যের ওই বাচ্চাটি একা একা খেলা করছিল। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য বলছে, গত ছয় মাসে সারা দেশে অন্তত ৫১২টি অপহরণের ঘটনায় বিভিন্ন থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে গত জুলাই মাসেই ৭২টি অপহরণের মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকাতে ১১টি, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটনে ৫টি, গাজীপুর মেট্রোপলিটনে ৭টি, ঢাকা রেঞ্জে ১৬টি, চট্টগ্রাম রেঞ্জে ১২টি অপহরণের ঘটনা রয়েছে। এ ছাড়া, গত জুন মাসে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় ১৭টি, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটনে ৩টি, রাজশাহী মেট্রোপলিটনে ১টি, বরিশাল মেট্রোপলিটনে ৫টি, সিলেট মেট্রোপলিটনে ৩টি, গাজীপুর মেট্রোপলিটনে ৬টি, ঢাকা রেঞ্জ এলাকার বিভিন্ন থানায় ১৭টি, মমনসিংহ রেঞ্জ এলাকায় ৩টি, চট্টগ্রাম রেঞ্জ এলাকায় ১৩টি, সিলেট রেঞ্জ এলাকায় ২টি, খুলনা রেঞ্জে ৫টি, বরিশাল রেঞ্জে ৪টি, রাজশাহী রেঞ্জে ২টি, রংপুর রেঞ্জে ৯টিসহ মোট ৯০টি অপহরণের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। গত মে মাসেও সারা দেশে ৯০টি অপহরণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এই তালিকায় সবচেয়ে শীর্ষে ছিল চট্টগ্রাম রেঞ্জ। এরপরের স্থানেই আছে ঢাকা রেঞ্জ। আর এপ্রিলে সবচেয়ে বেশি অপহরণ হয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় ২১টি। এরপরই ১৮টি অপহরণের ঘটনায় মামলা হয় চট্টগ্রাম রেঞ্জ এলাকার বিভিন্ন থানায়। ঢাকা রেঞ্জের ১৫টিসহ এপ্রিল মাসে মোট ৯৪টি অপহরণের মামলা হয়েছে। মার্চে অপহরণ মামলা হয়েছে ১০২টি। ফেব্রুয়ারিতেও অন্তত ৬৪টি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে।

এমনই অপহরণের শিকার ভুক্তভোগী মতিন মিয়া বলেন, ব্যবসার কাজে প্রতিনিয়তই ঢাকা থেকে গাজীপুরে যাতায়াত করতে হয় আমাকে। গত কয়েকদিন আগেও দোকানের মালালাল কিনতে কাশিমপুরে গিয়েছিলাম। কাজ শেষে স্ত্রীকে ফোন করে জানান, একটু পরই বাসে উঠবো। এরমধ্যেই সুরাবাড়ী এলাকায় নিজেদেরকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে ৫-৬ লোক আমাকে জোর করে তাদের গাড়িতে উঠায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা প্রাইভেটকারে তুলে আমার চোখ, হাত ও মুখ বেঁধে ফেলে। পরে তারা আমাকে নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরতে থাকে। এরপর আমার ফোন থেকে তারা আমার স্ত্রীকে ফোন করে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ হিসাবে পাঠাতে বলে। বলে, টাকা না দিলে তারা আমাকে হত্যা করবে। ওই দিনের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে কাশিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা মো. খালেদ বলেন, সেদিন সুরাবাড়ী এলাকা থেকে মতিন নামের ওই ব্যবসায়ীকে অপহরণের পর তার পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি আমাদের থানায় জানায়। ঠিক ওই সময়ই অন্য একটি মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সারদাগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালাচ্ছিল আমাদের থানা পুলিশ। প্রথমে সাদা একটি প্রাইভেটকারে থাকা কয়েকজন ব্যক্তির আচরণ দেখে সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ তাদের দিকে অগ্রসর হয়। পুলিশ সদস্যদের দেখে তখন গাড়িতে থাকা তিনজন ব্যক্তি দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে গাড়ির মধ্য থেকে হাত-পা, মুখ-বাঁধা অবস্থায় মতিনকে উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় তিনজনকে আটকও করা হয় বলে জানান তিনি।

এদিকে, গত ২১শে জুলাই অপহরণের শিকার হন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চরকুন্দলিয়া গ্রামের বাসিন্দা সুন্দর আলী। বিকালে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের গোলাম বাজার থেকে রামেরকান্দা এলাকায় যাওয়ার পথে চারজন ব্যক্তি তার অটোরিকশার গতি রোধ করেন। পরে তাকে মারধর করে অটোরিকশায় তুলে রামেরকান্দা বালুর মাঠ এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে সুন্দর আলীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার পরিবারের কাছে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। একপর্যায়ে তাকে অচেতন করে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকা পাঠানোর জন্য চাপ দিতে থাকে অপহরণকারীরা। পরিবারের সদস্যরা প্রথমে মোবাইল আর্থিক সেবা ‘নগদ’র মাধ্যমে পাঁচ হাজার টাকা পাঠান। পরে আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধার করে আরও ৩৯ হাজার টাকা পাঠায়।

পরে সুন্দর আলীর স্বজনরা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের পাশাপাশি র?্যাব-১০ এর সহায়তা চান। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করে পরদিন শুভাঢ্যা এলাকার একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে সুন্দর আলীকে উদ্ধার করে র‌্যাব। গত ২রা জুলাই রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর সবুজবাগের ব্যবসায়ী মো. মাহফুজুর রহমান ও তার ছেলে অপহরণ হন কল্যাণপুর থেকে। ভুক্তভোগী মাহফুজুর রহমান বলেন, মোটরসাইকেলে চেপে আমি ও আমার ছেলে মোহাম্মদপুরের আত্মীয়ের বাসা থেকে সেদিন সবুজবাগে ফিরছিলাম। পথে কল্যাণপুর এলাকায় দারুস সালাম জামে মসজিদের নিচে একটি দোকান থেকে পানি কিনতে থামি। পানি নিয়ে মোটরসাইকেল চালু করতেই ৫-৬ জন এসে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আমাদের দু’জনকে একটি পুরনো ভবনের চিলেকোঠায় নিয়ে যায়। সেখানে একটি ঘরের মধ্যে আটকে রেখে আমাদেরকে ব্যাপক মারধর করা হয়। মারধরের একপর্যায়ে তারা আমাদের কাছে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে। একপর্যায়ে ব্যাংক হিসাব, মোবাইল ব্যাংকিং ও ফোন তল্লাশি করে পর্যাপ্ত টাকা না পেয়ে বিভিন্ন আত্মীয়ের নম্বরে ফোন করে টাকা পাঠাতে বলে। পরে পরিচিত কয়েকজনসহ খালাতো ভাইয়ের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা এনে দিই তাদেরকে।

এরপর আমাদের মোবাইল ফোন, টাকা-পয়সা ও মোটরসাইকেল রেখে একটি সিএনজিতে উঠিয়ে দেয়। সিএনজিতে তুলে দেয়ার আগে তাদের হুমকি দেয়- এ ঘটনা সম্পর্কে পুলিশ বা অন্য কাউকে জানালে তোদের জানে মেরে ফেলা হবে। এরপর আমি ও আমার ছেলে দু’জনই মুগদা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিই। পরে বিষয়টি দারুস সালাম থানায় জানাই। ওই মামলার সূত্র ধরেই ১৮ই জুলাই রাতে বিল্লাল, জুম্মন ও ফয়সাল নামে তিনজনকে দারুস সালাম এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৪ এর সদস্যরা। বিষয়টি নিয়ে র‌্যাব-৪ এর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এন. রায় নিয়তি বলেন, আটক ফয়সাল-জুম্মনরা দারুস সালামসহ শাহআলী, মিরপুর থানাসহ আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক, আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। গ্রেপ্তারের পর তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়।

এর কিছুদিন আগেই সাভারের হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে অটোরিকশাযোগে বাড়ি ফেরার পথে মো. সুমন শেখ নামে এক ব্যবসায়ীকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় একটি চক্র। গাড়িতে তোলার পর তারও চোখ, মুখ ও হাত-পা বেঁধে ফেলা হয়। এরপর ভাকুর্তা ইউনিয়নের শ্যামলাসী এলাকার একটি নির্জন ঘরে নিয়ে তার চোখের বাঁধন খুলে লোহার রড ও পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। নির্যাতনের একপর্যায়ে হাত-পা বেঁধে তার কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে নির্যাতনের একপর্যায়ে তাকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়। পরে তার স্ত্রী বিয়ের গহনা বন্ধক রেখে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা পাঠালে ছেড়ে দেয়া হয় স্বামীকে। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সুমনকে। এই ঘটনাতেও ভুক্তভোগী সুমন সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বিষয়টি নিয়ে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুর মোহাম্মদ বলেন, আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

অপরদিকে, গত ৪ঠা জুলাই রাজধানীর রমনা পার্কে চেতনানাশক পানীয় পান করিয়ে অপহরণের চেষ্টার সময় এক স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আল-আমিন (২৬) নামের এক যুবককেও আটক করে আনসার সদস্যরা। আনসার সদর দপ্তর বলছে, এক কিশোরীকে নিয়ে যাওয়ার সময় দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা আল-আমিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় তিনি নিজেকে সাংবাদিক দাবি করে দু’টি পরিচয়পত্র দেখায়। তবে যাচাইয়ে সেগুলো ভুয়া প্রমাণিত হয়। পরে উদ্ধার হওয়া স্কুলছাত্রী ও আটক আল-আমিনকে জব্দ করা আলামতসহ রমনা থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। গত ২২শে জুলাইও রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকা থেকে অপহৃত এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব-২ এর সদস্যরা।

এ ঘটনায় মো. রওশন আলী ওরফে আকাশ নামে একজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। র‌্যাব-২ এর উপ-পরিচালক মেজর এম মুবীন রহমান তাপস বলেন, গত ৮ই জুলাই নীলফামারীর জলঢাকা থানা এলাকা থেকে ওই এসএসসি পরীক্ষার্থী অপহৃত হন। এ ঘটনায় তার বাবা আব্দুল রাজ্জাক বাদী হয়ে ১৪ই জুলাই জলঢাকা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। মামলার পর র‌্যাব-২ গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তারা জানতে পারে, অপহৃত তরুণীকে ঢাকা উদ্যানের সি ব্লকের একটি বাসায় আটকে রাখা হয়েছে। পরে র‌্যাব-২ এর একটি দল পৃথক দু’টি অভিযান পরিচালনা করে তরুণীকে উদ্ধার করা হয়। এমনই চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া, হালিশহর, রাউজান, কক্সবাজার, টেকনাফ, নরসিংদী, খুলনার বটিয়াঘাটা, কুমিল্লা, ঠাকুরগাঁওসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক অপহরণের ঘটনা ঘটেই চলেছে।
এসব বিষয়ে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, জনগণের পাশে থেকে সেবা করার জন্য আমরা সর্বদা নিজেদের নিয়োজিত রাখার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, মানবাধিকার রক্ষা, সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধ চিহ্নিত ও প্রতিরোধ এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র?্যাব দৃঢ়ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা, ছায়া তদন্ত, অপরাধীদের আটক করা, টহল পরিচালনা- সবই করা হচ্ছে। এমনকি অপরাধের ধর বুঝে কোন এলাকা ঠিক কখন অভিযান চালালে ভালো হয় সেসব বিষয়েও বিশ্লেষণ করে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বিষয়টি নিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ-ডিএমপি’র মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী বলেন, শুধু অপহরণ নয় যেকোনো অপরাধের বিষয়ে খবর পেলেই যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। সার্বক্ষণিক আমাদের পুলিশ সদস্যরা কাজ করছেন। বিভিন্ন স্পটে সাদা পোশাকেও নজর রাখা হচ্ছে। রাত-দিনে টহল জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি বিষয়েই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।