ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের মেঘনা নদীতে মাটিখেকোদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছেন ইউএনও মো. সাইফুল ইসলাম। গত বুধবার উপজেলার কাকরিয়া এলাকায় মেঘনার তীরে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন ও পাচারের সঙ্গে জড়িত ৭ মাটিখেকোকে আটক করে প্রত্যেককে দিয়েছেন ৪০ দিনের জেল। সেইসঙ্গে ড্রেজার ও বাল্কহেড জব্দ করা হয়। ইউএনও’র দপ্তর ও স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, সম্প্রতি সরাইলে মাটিখেকোদের তাণ্ডব আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে নদী পাড়ের লোকজনের জীবনযাপন হুমকির মুখে পড়ছে। ধ্বংস করছে ফসলি জমি, নদ-নদী ও প্রকৃতি।
মেঘনায় মাটি কাটায় সরাইলের অরুয়াইল এলাকার চরকাকরিয়া, রাজাপুর, দুবাজাইল, ধামাউড়া গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আর পানিশ্বর ইউনিয়নের নদীর তীরবর্তী পালপাড়াসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম অলরেডি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ঝুঁকি ও আতঙ্কে আছে আরও ২-৩টি গ্রাম। ভাঙন আতঙ্কে রয়েছে চুন্টা ইউনিয়নের নরসিংহপুর গ্রাম। এ অবস্থায় গত বুধবার দুপুরে অরুয়াইলের চরকাকরিয়ায় অভিযান পরিচালনা করেন সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। আটককৃতরা হলেন, মো. আলামিন (২৫), রাহাত, আওলাদ হোসেন (২৮), মো. ফুরকান মিয়া (৩৩), হৃদয় (১৮), আবুল কাসেম (৪০) ও কামাল (৫০)। ‘তরী বাংলাদেশ’ সরাইল উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মোহাম্মদ মাহবুব খান ইউএনও’কে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, গুটি কয়েক ব্যক্তির স্বার্থের কাছে জাতীয় স্বার্থ জিম্মি থাকতে পারে না। দেশের প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব এসব কাজের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করা।
