কক্সবাজারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের জুতা টানা সংক্রান্ত ভাইরাল খবরের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ। বাংলাদেশ পুলিশের পেজ থেকেও একই বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। কক্সবাজার জেলা পুলিশের পেজে দেয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ৭ই আগস্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজার সদর থানাধীন বাহারছড়া জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন। একই মসজিদে কক্সবাজার সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আলীও জুমার নামাজ আদায় করেন।
মসজিদে প্রবেশের সময় ওসি তার নিজের জুতা খুলে প্রবেশ করেন এবং নামাজ শেষে নিজের জুতা হাতে নিয়ে মসজিদ থেকে বের হন। মসজিদের প্রবেশপথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জুতা রাখা ছিল। ওসি কর্তৃক মন্ত্রীর জুতা বা স্যান্ডেল বহন করার প্রচারণাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে জেলা পুলিশ। বিবৃতিতে বাংলাদেশ পুলিশকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়। যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত উল্লেখ করে এ ধরনের অপপ্রচার চালানো থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানান বাংলাদেশ পুলিশ ও জেলা পুলিশ। পুলিশের বিবৃতিতে বেশির ভাগ মন্তব্যকারী ওসি মোহাম্মদ আলীর ভূয়সী প্রশংসা করেন। আব্দুল মজিদ নামের একজন মন্তব্যকারী লেখেন, ওসি মোহাম্মদ আলী আমার দেখা বাংলাদেশ পুলিশের একজন শ্রেষ্ঠ চৌকস, মানবিক ও লোভহীন পুলিশ অফিসার। তিনি চাকরি গেলেও এই কাজ করবেন না। সবসময় পুলিশের ভাবমূর্তির দিকে খেয়াল রেখে চলেন। তাকে আমি চকরিয়ায় দায়িত্ব পালনকালে খুব কাছ থেকেই দেখেছি।
এম ফেরদৌস ওয়াহিদ নামের একজন লিখেছেন, যারা অপপ্রচার চালিয়েছে তারা হয়তো ওসিকে চিনে না। উনাকে আমি খুব কাছ থেকেই চিনি। কতোটা স্মার্ট আর নিষ্ঠাবান অফিসার। উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে মসজিদ থেকে নামাজ শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগে জুতা হাতে কক্সবাজার সদরের ওসিকে বের হতে দেখা যায়। অনেকেই ওসির হাতে থাকা ওই জুতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বলে প্রচার করেন। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়ে পুলিশ। এর প্রেক্ষিতে পুলিশের তরফ থেকে এই বিবৃতিতে দেয়া হয়।
