প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার সফরে আসছেন আজ। এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী যাবেন। সকাল সাড়ে ১০টায় মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) কার্যক্রম পরিদর্শনের কথা রয়েছে তার। এ সময় তিনি মেগা প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন বলেও জানা যায়।
প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারের স্থানীয় প্রশাসন এবং দলীয়ভাবে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘এটি কোনো জনসভা নয়, বরং সম্পূর্ণ অফিশিয়াল ভিজিট। আমাদের মেগা প্রকল্পগুলো শুধু বাংলাদেশ নয়, সমগ্র বিশ্বের জন্য একটা ইকোনমিক হাব।’ প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে মহেশখালীবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি, 'কক্সবাজারের সঙ্গে সংযোগকারী মহেশখালী সেতু' নির্মাণের বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরা হবে।
সেখান থেকে চট্টগ্রামের বাঁশ খালীর উদ্দেশ্যে রওনা হবেন এবং সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাঁশখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তারেক রহমান।
দুপুর দেড়টার দিকে ফটিকছড়ি উপজেলার পেহেলগাজী দিঘির মাঠে অবতরণ করে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। সেখানে আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এরপর মরহুম আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন তিনি।
সফরসূচি অনুযায়ী বিকাল পৌনে ৪টায় হাটহাজারী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোতে বিরতি নেবেন তারেক রহমান। এরপর সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে বিকাল ৫টায় হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার।
সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লু হোটেলের অডিটরিয়ামে আয়োজিত সাংগঠনিক সভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। দিনের কর্মসূচি শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। রাতে রাজধানীতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।
