তসলিমাকে নাসরিনকে কড়া জবাব অভিজিতের

‘তেলাপোকা’ আন্দোলনকে বাংলাদেশের জুলাইয়ের সঙ্গে তুলনা

তসলিমাকে নাসরিনকে কড়া জবাব অভিজিতের

ফন্ট সাইজ:

ভারতের ‘ককরোচ বা তেলাপোকা জনতা পার্টি’ (সিজেপি)–এর আন্দোলনের সঙ্গে বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই ছাত্র আন্দোলনের তুলনা করেছে নির্বাসিত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তবে তার এই মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সিজেপির মুখ্য সংগঠক অভিজিত দিপকে।

সোমবার বার্তা সংস্থা পিটিআইকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিজিত বলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের আন্দোলনের সঙ্গে দিল্লির যন্তর মন্তরের আন্দোলনের তুলনা করা হচ্ছে শুধু আমাদের বদনাম করার জন্য। আমরা এক নই।
এর আগে রোববার কলকাতায় এক অনুষ্ঠানে তসলিমা নাসরিন বলেন, সিজেপির আন্দোলনের একটি ভিডিও দেখে তার বাংলাদেশের ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের কথা মনে পড়ে যায়। ওই আন্দোলনের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং পরে ভারতে আশ্রয় নেন।
তসলিমার দাবি, বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলন আমাদের বিভ্রান্ত করেছিল। আমরা ভেবেছিলাম তারা শুধু কোটা পদ্ধতি বাতিল চায়। শেখ হাসিনা সেই দাবি মেনে নেয়ার পরও শেষ পর্যন্ত সরকারের পতন ঘটে। পরে দেখা যায়, এর পেছনে উগ্রপন্থিরা ছিল। এর ফল বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক হয়নি।

তসলিমার এই মন্তব্যের জবাবে অভিজিত দিপকে বলেন, সিজেপির আন্দোলনের লক্ষ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং এটিকে অন্য দেশের রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা ঠিক নয়। তিনি জানান, দেশজুড়ে ছাত্রদের নেতৃত্ব দেয়ার পর সংগঠনের দায়িত্ব আরও বেড়েছে এবং খুব শিগগিরই সিজেপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হবে।

জাতীয় পর্যায়ের নিয়োগ পরীক্ষাগুলোতে প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে গত ২০ জুন দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলন শুরু করে সিজেপি। আন্দোলনের শুরুতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। পরে শিক্ষার্থী, শিল্পী, বুদ্ধিজীবী, সমাজকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সমর্থনে আন্দোলন আরও বিস্তৃত হয়।
টানা ৩৭ দিনের আন্দোলনের পর গত ২৫ জুলাই শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। তার স্থলাভিষিক্ত হন প্রহ্লাদ যোশী। তবে সিজেপি জানিয়েছে, নতুন শিক্ষামন্ত্রী হিসেবেও প্রহ্লাদ যোশীকে তারা গ্রহণ করছে না।
অভিজিত দিপকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নিটসহ সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসে ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থী ও তাদের পরিবারকে দ্রুত ক্ষতিপূরণ না দেওয়া হলে সিজেপি আবারও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে।












কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন