হাসিনা ইস্যুতে দিল্লিকে সতর্কবার্তা ঢাকার

হাসিনা ইস্যুতে দিল্লিকে সতর্কবার্তা ঢাকার

ফন্ট সাইজ:

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে ভারতের কাছে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে ঢাকা। বাংলাদেশ বলেছে, শেখ হাসিনাসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো সংগঠনের ব্যক্তি যদি ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দেন বা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন, তবে তা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

সোমবার বিকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় আসে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্রের তথ্য অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে শেখ হাসিনা আগামী ৫ আগস্ট প্রকাশ্যে বক্তব্য রাখবেন। মূলত এ বিষয়েই ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি ভারতের হাইকমিশনারকে জানান, শেখ হাসিনাসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো সংগঠনের ব্যক্তি যাতে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান বা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে না পারেন, সে বিষয়ে নয়াদিল্লির সহযোগিতা প্রত্যাশা করে ঢাকা। তিনি উল্লেখ করেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

জবাবে ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেওয়া এবং এ বিষয়ে সচেষ্ট থাকার আশ্বাস দেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ও আলোচনা হয়। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জোরদার ও এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উভয় পক্ষ। এছাড়া নিয়মিত সংলাপ ও গঠনমূলক সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন দুই পক্ষ। তারা মত প্রকাশ করেন, পারস্পরিক আস্থা ও আলোচনার মাধ্যমেই দুই দেশের সব বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধান অর্জন সম্ভব।


হারুন আল রশিদ

৫৩ মিনিট আগে

সব কিছুতেই রাখ ঢাক গুড়গুড়। স্পষ্ট মতামতে আন্তর্জাতিক বা আন্তরাষ্ট্রিয় সম্পর্ক পরিস্কার হয়। মানবতাবিরোধী অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক হাসিনাকে ভারতে বসে দেশ বিরোধী কর্মকান্ড চালাতে দিলে পারস্পারিক সম্পর্ক আবারও অবিশ্বাসের ঘূর্নাবর্তে পড়বে।

মন্তব্য করুন