রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সংঘটিত সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করতে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কমিটিকে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এদিকে রাকসু ও ছাত্রশিবিরের দাবির মুখে মারধরের শিকার ২ শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
সোমবার সংঘটিত ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম-২কে আহ্বায়ক করে এ কমিটি গঠন করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. এস এম কামরুজ্জামান। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক মো. গোলাম ছাদিক, ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মো. আসাদুল হক, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক মো. আরিফুল ইসলাম এবং ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক এ. নাঈম ফারুকী। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় ২ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিলে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো। জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ বলেন, সংঘর্ষ ও মারধরের ঘটনায় প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত কমিটি পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, রাকসু ভবন, যেখানে হামলার অভিযোগ উঠেছে এবং প্রক্টর দপ্তর (যেখানে ঘটনার সূত্রপাত) পরিদর্শন করবে। ভিডিও ফুটেজ ও সার্বিকভাবে বিবেচনা করে তারা কাজ করবে।
