নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ফেসবুকে লাইভে এসে জেলা ছাত্রদল নেতা সুলতান মাহমুদের বিভিন্ন অপকর্ম নিয়ে তুলে ধরার জেরে যুবদল নেতার বাড়ি-ঘরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এরপর থেকে চরম আতঙ্কে রয়েছে যুবদল নেতা ও তার পরিবার। রূপগঞ্জের দাউদপুর ইউনিয়নের দেবই এলাকায় দাউদপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি নাঈম ইসলামের বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী যুবদল নেতা নাঈম জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি সুলতান মাহমুদের সঙ্গে রাজনীতি করে আসছেন। বিগত সরকারের সময়ে সে সহ তার লোকজন একাধিক মামলায় আসামি হয়েছে।
এদিকে সরকার পতনের পরে সুলতান নিজ শেল্টারে আওয়ামী লীগের সেসব লোকজনকে এলাকায় এনে তাদের সঙ্গে ব্যবসা করে কোটি টাকা উপার্জন করেছে। এ ছাড়া বিলাসবহুল গাড়িতে চলাফেরা করে। এসব বিষয় নিয়ে রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফেসবুকে কথা বলে ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি নাঈম ইসলাম। এদিকে লাইভ শেষ করার পরপরই সুলতানের নেতৃত্বে তার লোকজন এসে নাঈমের বাড়ি-ঘরে হামলা ও ভাঙচুর করে। এমনকি পরিবারের লোকজনদের হুমকি দেয়। এদিকে এ ঘটনার জড়িত সুলতানের শাস্তির দাবিতে মঙ্গলবার সকালে বিক্ষোভ করে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী। এ সময় তারা অভিযুক্ত সুলতান ও তার লোকজনদের শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে সুলতান মাহমুদের মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ফেসবুকে লাইভে এসে যুবদল নেতা নাঈম আমাকে জড়িয়ে বিভিন্ন বাজে মন্তব্য করেছে। এতে আমার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা করতে পারে। তবে আমি ছিলাম না। এ ব্যাপার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, ফেসবুকে লাইভকে কেন্দ্র করে যুবদল নেতার বাড়িতে হামলার খবর পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযুক্ত যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
