ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের কিশোর জিহাদ মিয়া (১৫) হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে সুজন খন্দকার (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে সরাইল থানা পুলিশ। গত সোমবার সন্ধ্যায় সদর ইউনিয়নের পূর্ব কুট্টাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সুজন কুট্টাপাড়া গ্রামের জয়নাল খন্দকারের ছেলে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. বখতিয়ার। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১০ই জুলাই রাতে পিতা আজগর আলীর মাছ ধরার কাজে সহায়তা করতে বাড়ি থেকে জাফর খালের দিকে রওনা দেয় জিহাদ। জিহাদদের বাড়িও কুট্টাপাড়া গ্রামের উত্তর পাড়ায়। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্র্যাক অফিস সংলগ্ন জায়গায় যাওয়ার পর জিহাদের উপর হামলা করে একদল দুর্বৃত্ত। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে জিহাদকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে হত্যা করে। পরে মহাসড়কের পাশের একটি ঝোপঝাড়ে জিহাদের লাশ ফেলে পালিয়ে যায়। পরে রাতেও জিহাদ বাড়ি না ফেরায় স্বজনরা খুঁজতে বের হন। রাত ১০টার দিকে পায়ের সেন্ডেল ও রক্তের সূত্র ধরে ওই ঝোপঝাড়ে জিহাদের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে সরাইল থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। গত ১২ই জুলাই রোববার তার পিতা অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে সরাইল থানায় একটি মামলা করেছেন। গত ১৯শে জুলাই রোববার খুনি শনাক্ত গ্রেপ্তার আর বিচার নিশ্চিতকরণের দাবিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে মানববন্ধন ও অবরোধ করেন কুট্টাপাড়া গ্রামের বাসিন্দারা।
দ্রুততম সময়ের মধ্যে আসামি গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিয়ে অবরোধ প্রত্যাহার করিয়েছেন ইউএনও ও ওসি। সরাইল থানার ওসি মো. মনজুর কাদের ভূঁইয়া সন্ধিগ্ধ আসামি সুজনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা নির্দোষ কাউকে হয়রানি করতে চাই না। প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে আমরা কাজ করছি। তাই সুজনকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করেছি।
জিহাদ হত্যায় জড়িত সন্দেহে যুবক গ্রেপ্তার রিমান্ডের আবেদন
সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
২২ জুলাই (বুধবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
