চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের অলি নগর ও মান্দারীটৌলা খালের পাশে একটি মুরগির খামারের বর্জ্য দীর্ঘদিন ধরে সড়কের পাশে ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এতে তীব্র দুর্গন্ধে দুই গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিতে বর্জ্যভর্তি বস্তাগুলো খালের পানিতে ভেসে আশপাশের বসতবাড়ির আঙিনায় ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় এক সপ্তাহ আগে বৃষ্টি শুরুর আগে জেএমআই সিলিন্ডার ফ্যাক্টরির উত্তর পাশে হ্রদের মাথা ব্রিজের পশ্চিম পাশে এসব বর্জ্য ফেলে রাখা হয়। এরপর থেকেই দুর্গন্ধে স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে।
দরজা-জানালা বন্ধ রেখেও দুর্গন্ধ থেকে রেহাই মিলছে না বলে জানান তারা। ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি খামার পরিচালনাকারী ব্যক্তিকে জানানো হলেও তিনি বর্জ্য অপসারণের পরিবর্তে দুর্ব্যবহার করেন। পরে খামারের মালিক নাসির উদ্দিনকে অবহিত করা হলেও তিনি কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেননি বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসীর ভাষ্য, জনবসতির পাশে এভাবে মুরগির খামারের বর্জ্য ফেলে রাখায় পরিবেশ দূষিত হচ্ছে এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
তারা দ্রুত বর্জ্য অপসারণ, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিবেশ দূষণ রোধে প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যকর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আশ্রাফ উদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অন্যদিকে, খামারের মালিক নাসির উদ্দিনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
