মৌলভীবাজারে দোকান কর্মচারী খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

মৌলভীবাজারে দোকান কর্মচারী খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

ফন্ট সাইজ:

মৌলভীবাজারের শেরপুর এলাকার দোকান কর্মচারী আব্দুল আজিজকে ডেকে নিয়ে দোকান মালিক ও তার পরিবারের সদস্যরা পরিকল্পিত নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা ও বস্তাবন্দি করে লাশ গুমের চেষ্টায় প্রধান আসামি নুরুল ইসলামসহ সহযোগীদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। গতকাল বিকালে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুর মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে ও বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়ন ও ওই উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ।

মানববন্ধনে বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র সদস্য ও রামপাশা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. খসরুজ্জামান খছরুর সভাপতিত্বে ও রামপাশা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও খুনের শিকার আব্দুল আজিজের ফুফুতো ভাই ব্যবসায়ী মো. মাহতাব উদ্দিনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা নেছার আহমদ, বিএনপি নেতা ইমামুল হক এনাম শাহ, যুবদল নেতা তোফায়েল আহমদ, নিয়াজুল হক, ইউপি সদস্য নূর মিয়া ও রাগিব আলী রাগিব, খুনের শিকার আব্দুল আজিজের ভাই হাফিজ মাওলানা আব্দুল হাই ও হাফিজ আব্দুল্লাহ, মৎস্যজীবী দলের নেতা দিলওয়ার হোসেন প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা হঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার করা না হলে বিশ্বনাথসহ সিলেটবাসী বৃহত্তর আন্দোলনে যাবে।

সড়ক অবরোধসহ কঠিন কর্মসূচি নিয়ে তারা মাঠে থাকবেন। মূলত শেরপুর বাজারের শুঁটকি ব্যবসায়ী নুরুল ইসলামের কাছে আব্দুল আজিজের বিদেশ যাওয়ার জমাকৃত ২০-২৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার জন্য নুরুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যরা তাকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবেই নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। পায়ের রগ কেটে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে। তার লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে বস্তাবন্দি করে বাথরুমে রাখে। যাতে সুযোগ বুঝে পার্শ্ববর্তী কুশিয়ারা নদীতে ফেলে দিতে পারে। তারা প্রশ্ন রেখে বলেন, একজন প্রতিবন্ধী কোনোভাবেই এমন পরিকল্পিত খুন করতে পারে না। তারা অবিলম্বে আজিজ খুনের সঙ্গে জড়িত নুরুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন