দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ফন্ট সাইজ:

বন্যা ও জলাবদ্ধতার মধ্যেও এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণ, প্রশ্নপত্রে ত্রুটি এবং শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশ জুড়ে বিক্ষোভ করেছেন পরীক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রাজশাহী, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, রংপুর, জামালপুর, নাটোরসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। তারা সড়ক অবরোধ, শিক্ষা বোর্ড ঘেরাও ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিকালে সংসদ ভবনের পাশের মানিক মিয়া এভিনিউতে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে পুলিশ তাদের ধাওয়া দিয়ে ও লাঠিচার্জ করে সরিয়ে দেয়।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিন দফা দাবি নিয়ে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় ঢাকা সিটি কলেজ, ঢাকা আইডিয়াল কলেজ, সরকারি বাংলা কলেজ, সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ, বিএএফ শাহীন কলেজসহ ১৫টি কলেজের শিক্ষার্থীরা। ধানমণ্ডি থেকে নিউমার্কেটমুখী সড়ক অবরোধের ফলে দুই দিকেই যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন আটকে পড়ায় সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি হলো বৈরী আবহাওয়া পুরোপুরি কেটে না যাওয়া পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত রাখা, ১৩ই জুলাই প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে যারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি তাদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করা এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, গত কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থীকে পানি, কাদা পেরিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে হয়েছে। কেউ কেউ নৌকায় করে কেন্দ্রে পৌঁছেছেন। এতে পরীক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক চাপের মধ্যে পরীক্ষা দিতে হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘তুমি কে, আমি কে-ফার্মের মুরগি’, ‘কে বলেছে, কে বলেছে-শিক্ষামন্ত্রী’, ‘দফা এক, দাবি এক- শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ’, ‘আপস না সংগ্রাম-সংগ্রাম, সংগ্রাম’- এমন নানা স্লোগান দেন। তাদের হাতে পরীক্ষা স্থগিত এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ডও দেখা যায়।

বেলা পৌনে ১টার দিকে তারা মিছিল নিয়ে শিক্ষাভবনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়র ভিসি চত্বরে পৌঁছালে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। পুলিশের বাধার মুখে শিক্ষার্থীরা সেখানে অবস্থান নেন। এ সময় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দাবির প্রতি সংহতি জানালে শিক্ষার্থীরা ফেরত যান। বেলা পৌনে তিনটার দিকে শিক্ষার্থীরা ফের ঢাকার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সামনে অবরোধ করেন। তারা সেখানে স্লোগান দেন। একপর্যায়ে ইটপাটকেল ছোড়ার পাশাপাশি গেট ধাক্কাধাক্কি করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সেখানে অবস্থান নেন। পরে বিকাল সাড়ে চারটার দিকে ফের শিক্ষার্থীরা সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেন। কর্মসূচিতে অংশ নেয়া সিটি কলেজের শিক্ষার্থী সিয়াম হাসান বলেন, এত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেও পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া হয়েছে। যাতায়াতে আমাদের চরম ভোগান্তি হয়েছে। এসব বিষয়ে আমরা প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এরপর আন্দোলনকারীরা বিকাল পৌনে ৬টার দিকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার সামনে অবস্থান নেন। এ সময় সড়কে বসে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন। ফলে মানিক মিয়া এভিনিউ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় সংসদ অধিবেশন চলছিল। কিছু সময় পর শিক্ষার্থীদের লাঠিচার্জ ও ধাওয়া দিয়ে সরিয়ে দেয় পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে আলোচনার জন্য শিক্ষার্থীদের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলকে পাঠানোর আহ্বান জানানো হয়। তবে সড়কে অবস্থান নেয়া শিক্ষার্থীরা ওই প্রস্তাবে অনাগ্রহ প্রকাশ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং ধাওয়া দিলে শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান।

এ সময় লাঠিচার্জে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। সড়ক থেকে শিক্ষার্থীরা সরে যাওয়ায় ফের সড়ক দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এদিন সকাল ১০টা থেকে উত্তরা বিএনএস সেন্টারের সামনে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, সৃষ্টি হয় কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট। যানবাহন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অফিসগামী, কর্মজীবী মানুষ ও জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। মাইলস্টোন কলেজ, টঙ্গী সরকারি কলেজ, সানরাইজ কলেজ এবং উত্তরা হাইস্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। বিকাল ৩টার দিকে বুধবার রোড মার্চ টু শিক্ষাভবন কর্মসূচি ঘোষণা দিয়ে সড়ক ছাড়েন। ফলে সড়ক দিয়ে ফের যান চলাচল শুরু হয়।

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে জানান, সব শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত, প্রশ্নপত্রে ভুলের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড পুনরায় ইস্যুর দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ করেছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে নগরের মুরাদপুরে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের প্রধান ফটকের সামনে কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থী জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় সিডিএ অ্যাভিনিউ সড়কের একপাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বন্যা ও দুর্যোগের কারণে অনেক পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেননি। পরীক্ষা স্থগিত ও পুনর্নির্ধারণের দাবি জানানো হলেও তা বিবেচনায় নেয়া হয়নি। তাই তারা রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন।

স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা থেকে জানান, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার নগরীর কান্দিরপাড় পূবালী চত্বরে বোর্ডের সামনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা কর্মসূচিতে অংশ নেন। এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের দাবিগুলোর মধ্যে প্রথম দাবি হলো দুর্যোগ পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত থাকবে। গত সোমবার যারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি, তাদের পুনরায় পরীক্ষা নিতে হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে জনসমক্ষে ক্ষমা চাইতে হবে। এ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন, আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমাতুজ জোহরা এবং কোতোয়ালি থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার।

স্টাফ রিপোর্টার, সাভার থেকে জানান, শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে সাভারে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাকিজা এলাকার শহীদ ইয়ামিন চত্বরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। শিক্ষার্থীরা প্রায় এক ঘণ্টা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করলে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন সড়কটিতে চলাচলকারী যাত্রী ও চালকরা।

বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা এ সময় শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন সংস্কারের দাবি জানানোর পাশাপাশি, শিক্ষার্থীদের ‘পোল্ট্রি মুরগি’ বলে মন্তব্য এবং বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেও পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের জন্য শিক্ষামন্ত্রীকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি তোলেন। প্রায় ১ ঘণ্টা সড়কে অবস্থান করার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করে নিলে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর থেকে জানান, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে রংপুরে বিক্ষোভ করেছে পরীক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার দুপুরে রংপুর জিলা স্কুল মোড় থেকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শত শত পরীক্ষার্থী জড়ো হয়ে বৈরী আবহাওয়ার মাঝে পরীক্ষা নেয়ার বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। সেইসঙ্গে বোর্ড কর্মকর্তাসহ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানান। এরপর একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জিলা স্কুলের মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী থেকে জানান, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সামনে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় এ বিক্ষোভ করেন তারা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, দেশ জুড়ে ভয়াবহ দুর্যোগে বিস্তর এলাকা ডুবে গিয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও পরীক্ষা স্থগিত করা হয়নি। ফলে কোমরসমান পানি ঝাঁপিয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়ে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাছাড়া পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ভুলের ছড়াছড়ি রয়েছে যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদাসীনতার ফল। শিক্ষামন্ত্রীকে এসব দায় নিয়ে পদত্যাগ করার দাবি করেন তারা। এ সময়ে ‘দুর্যোগ আর পরীক্ষা একসঙ্গে চলে না’, ‘শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাই, পদত্যাগ চাই, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাই’ তুমি কে? আমি কে? ‘ফার্মের মুরগি, ফার্মের মুগরি’ এসব স্লোগান দেন।

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি জানান, এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য ও বন্যা দুর্যোগের মধ্যে কঠিন পদ্ধতিতে জোরপূর্বক পরীক্ষার নেয়ার প্রতিবাদে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগসহ নানা দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছে পরীক্ষার্থীরা। এ সময় উত্তরবঙ্গগামী লেনে অন্তত ১০ কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। আন্দোলনে কুমুদিনী সরকারি মহিলা কলেজ, মাহমুদুল হাসান আদর্শ মহাবিদ্যালয়সহ বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ থেকে জানান, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ চার দফা দাবিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে নগরের টাউন হল মোড়ে বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা সড়কে অবস্থান নিলে ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ‘এইচএসসি শিক্ষার্থী’ ব্যানারে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা বন্যা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা স্থগিত, যৌক্তিক কারণে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষা, প্রশ্নপত্রের মানদণ্ড সংশোধন এবং শিক্ষামন্ত্রীর জবাবদিহি ও পদত্যাগের দাবি জানান। তারা ‘নিরাপদ পরিবেশ নেই তো পরীক্ষা নেই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

জামালপুর শহর প্রতিনিধি জানান, শিক্ষামন্ত্রীর ‘বিতর্কিত’ মন্তব্যের প্রতিবাদ ও তার পদত্যাগের দাবিতে জামালপুরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার বিকাল ৪টা থেকে শহরের ফৌজদারি মোড় এলাকায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সড়কে অবস্থান নিয়ে এই কর্মসূচি শুরু করেন।

নাটোর প্রতিনিধি জানান, সারা দেশের ন্যায় নাটোরেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ বিভিন্ন দাবিতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের কানাইখালী প্রেস ক্লাবের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে নাটোরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা অংশ নেন। তারা চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত, শিক্ষামন্ত্রীর শিক্ষার্থীদের নিয়ে করা মন্তব্যের প্রতিবাদ, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা এবং শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানসহ ৮ দফা দাবি উত্থাপন করেন।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন