চলমান বিশ্বকাপেই প্রথমবার ৩২ দলের পরিবর্তে ৪৮টি দেশ অংশ নিয়েছে। তবে এই মেগা আসর শেষ হওয়ার আগেই ফুটবল বিশ্বে আরও এক মহাবিস্ফোরণ ঘটালেন বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ২০৩০ সালের পরবর্তী বিশ্বকাপেই দলের সংখ্যা বাড়িয়ে ৬৪ করার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
সুইজারল্যান্ডের গণমাধ্যম ব্লুউইন-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইনফান্তিনো জানান, ফুটবলকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে ৪৮ থেকে ৬৪ দলে উন্নীত করাটা বেশ যৌক্তিক হতে পারে। এবারের ৪৮ দলের টুর্নামেন্টকে ‘বিশাল সফল’ দাবি করে ফিফা সভাপতি বলেন, ‘এই বিশ্বকাপের পর সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলোতে বিষয়টি অবশ্যই খতিয়ে দেখা হবে এবং আলোচনা করা হবে। বিশ্বকাপ যখন আয়োজন করা হয়, তখন তা কেবল ইউরোপ বা দক্ষিণ আমেরিকার জন্য নয়, পুরো বিশ্বের জন্য করা উচিত। প্রতিটি দেশেরই বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখার অধিকার রয়েছে।’
ইনফান্তিনো আরও উল্লেখ করেন যে, ছোট দেশগুলোকে সুযোগ না দিলে তাদের ফুটবলের মানোন্নয়নের আগ্রহ হারিয়ে যাবে। উদাহরণ হিসেবে তিনি আফ্রিকার কথা উল্লেখ করেন, যেখানে গত বিশ্বকাপে অঞ্চলটির মাত্র ৫টি দেশ অংশগ্রহণ করে। আর এবার সেখানকার ৯টি দল নকআউট পর্বে জায়গা করে নেয়।
২০৩০ সালের বিশ্বকাপটি যৌথভাবে মরক্কো, পর্তুগাল ও স্পেনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর উদ্বোধনী তিনটি ম্যাচ হবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে। যদি ৬৪ দলের প্রস্তাব পাস হয়, তবে দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলো কেবল একটি করে ম্যাচ নয়, বরং পুরো একটি গ্রুপের ম্যাচ আয়োজন করার সুযোগ পেতে পারে। মাঠের পরিধি বাড়িয়ে ফুটবলের জোয়ার বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দেয়াই এখন ফিফার মূল লক্ষ্য।

Andalib
২১ মিনিট আগেThis year 48 teams participated in the world but the most populous countries were not there. India, China, Indonesia, Pakistan, Bangladesh, Russia, Nigeria consisting more than half of the world population were absent. FIFA should focus on improving the football standards in those countries. It should be their top priority.