আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যাদের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তারা এখন প্রকাশ্যে দেশে ফেরার তারিখ ঘোষণা করছে। সামাজিক মাধ্যমেও তাদের সমর্থকদের সক্রিয়তা বেড়েছে। এই দুঃসাহস তাদের হওয়ার কথা ছিল না। এটি সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্রের ব্যর্থতার বহিঃপ্রকাশ।
শনিবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমিতে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের বিশেষ ‘অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রকাশনা সিরিজ’ অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গ টেনে তিনি এসব কথা বলেন। তাজুল ইসলাম বলেন, দিল্লি থেকে দিনক্ষণ জানিয়ে দেশে আসার ঘোষণা দেওয়া স্বৈরাচারদের জন্য আমরা বিশেষ দড়ির মালা নিয়ে প্রস্তুত আছি।
তিনি আরও বলেন, ইতিহাসের এই বীরত্বগাথাকে অমর করে রাখতে এবং শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করতে জুলাইয়ের ওপর ভিত্তি করে মানসম্মত সিনেমা নির্মাণ করা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের রক্তের ঋণ পরিশোধের অন্যতম উপায় হলো জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন দেশ গড়ে তোলা। জুলাই সনদের দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের পাশাপাশি শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের যথাযথ পুনর্বাসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, শুধু শেখ হাসিনা নয়, আওয়ামী লীগকেও এখন আর মানুষ গ্রহণ করবে না। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। খুব শিগগিরই আওয়ামী লীগকে দল হিসেবে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করতে প্রয়োজনে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, জুলাই শহীদ জাবের ইব্রাহিমের মা রোকেয়া বেগম এমপি প্রমুখ।
এই দুঃসাহস তাদের হওয়ার কথা ছিল না এটি রাষ্ট্রের ব্যর্থতা : সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার
অনলাইন
১ ঘন্টা আগে
১১ জুলাই (শনিবার), ২০২৬, ১১ঃ১২ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
