নদীভাঙনে ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক, চলাচলে দুর্ভোগ

নদীভাঙনে ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক, চলাচলে দুর্ভোগ

ফন্ট সাইজ:

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার গাওখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজের পশ্চিম পাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল ও নদীভাঙনের কবলে থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটি কর্দমাক্ত ও পিচ্ছিল হয়ে পড়ে। অন্যদিকে, নদীর ভাঙনে সড়কের একাংশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের পক্ষে হেঁটে চলাফেরাও অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগÑ নারী, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং অসুস্থ রোগীদের এই সড়ক দিয়ে চলাচল করতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয়। এমনকি সুস্থ-সবল মানুষও পিচ্ছিল কাদায় পিছলে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। ইতিমধ্যে একাধিক ব্যক্তি সিøপ কেটে পাশের নদীতে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। সরজমিন দেখা যায়, সড়কের একপাশে নদী এবং অন্যপাশে গাওখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজের সীমানা প্রাচীর। নদীভাঙনে সড়কের পাশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় রাস্তার প্রশস্ততা অনেক কমে গেছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছে গাওখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা। প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সড়ক দিয়ে বিদ্যালয় ও কলেজে যাতায়াত করছে। একইসঙ্গে শিক্ষক, অভিভাবক ও অন্যান্য পথচারীদেরও চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, এই সড়কের দক্ষিণ পাশে রয়েছে নাজিরপুরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গাওখালী বাজার এবং উত্তর দিকে রয়েছে দেউলবাড়ী দোবড়া ইউনিয়ন পরিষদ। এ ছাড়াও উত্তরাঞ্চলে অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়ির মানুষের যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ পথ এটি। নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেয়ায় পরিস্থিতি দিন দিন আরও অবনতির দিকে যাচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, গাওখালীর মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সড়কটির দ্রুত সংস্কারের পাশাপাশি নদীভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজিয়া শাহনাজ তমা বলেন, উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর আমাকে জানিয়েছে এলজিইডি হতে এই রাস্তার প্রস্তাব অনেক আগেই পাঠানো হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন