দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি

মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব

দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি

ফন্ট সাইজ:

সদ্যসমাপ্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফরে ‘অভূতপূর্ব সাফল্যের’ জন্য প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি প্রস্তাব জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। এর জবাবে বিরোধীদলীয় নেতাসহ সকল সংসদ সদস্যকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি বলেন, মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যদি কোনো অর্জন হয়ে থাকে, সেটি বাংলাদেশের এবং দেশের মানুষের অর্জন। সফরকালে আমি আমার অবস্থান থেকে দেশের এবং দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলার ও সেই স্বার্থ রক্ষা করার চেষ্টা করেছি।

শনিবার সকালে জাতীয় সংসদে অধিবেশনের শুরুতেই ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সরকারি দল ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে এ প্রস্তাব গৃহীত হয়। এদিন বেলা ১১টায় শুরু হওয়া অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ আহমদ বীর-বিক্রম।

গত ২১ থেকে ২৬শে জুন পর্যায়ক্রমে মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার রাতে প্রধানমন্ত্রী চীন থেকে দেশে ফেরেন। দুই দেশ সফর শেষে সকালে শেরেবাংলা নগরে বাবা শহীদ প্রসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সংসদ অধিবেশনে যোগ দেন তিনি। অধিবেশন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ঢোকার পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার অনুপস্থিতিতে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের আলোচনার পর সফরের জন্য ধন্যবাদ প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। এ সময় স্পিকার বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিকে, পররাষ্ট্রনীতিকে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছেন আপনি এই সফরের মাধ্যমে। পরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ওয়েলকাম ব্যাক টু দিজ পার্লামেন্ট।’ এরপর বক্তব্য দেয়ার অনুমতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সংসদের পক্ষ থেকে আমাকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। এর জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ এবং সংসদের সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আমাদের তাদের স্বার্থ রক্ষার দায়িত্ব দিয়েছে। আমাদের দলের একটি স্লোগান হচ্ছে- ‘বাংলাদেশ প্রথম’। আমি আমার অবস্থান থেকে দেশের এবং দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলার ও সেই স্বার্থ রক্ষা করার চেষ্টা করেছি। তারেক রহমান বলেন, এখানে আমাদের কারও ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নেই। যদি কোনো ভালো অর্জন হয়ে থাকে, সেটি বাংলাদেশের অর্জন। এই সফরের মাধ্যমে যদি দেশের মানুষের কোনো অর্জন হয়ে থাকে, সেটিও দেশের মানুষের অর্জন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদের সব সদস্য, বিশেষ করে বিরোধীদলীয় নেতা দেশের স্বার্থে কাজ করার জন্য আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন। সে জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে বিরোধীদলীয় নেতাসহ সংসদের সব সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
ওদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফরে বাংলাদেশের সঙ্গে চীন-মালয়েশিয়ার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সফরের ওপর একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব পেশকালে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে দেশ দুটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও জানান তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমি একটা ধন্যবাদ প্রস্তাব আনার জন্য দাঁড়িয়েছি। বিগত কয়েক বছর ফ্যাসিবাদী সরকার ছিল। গত ৪ মাস জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী চীন এবং মালয়েশিয়া সফর করেছেন। এই সফরটি বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে তিনি অনেকগুলো চুক্তি করেছেন। দুই দেশের সঙ্গে পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। দীর্ঘ সময় ফ্যাসিবাদী নেতৃত্ব দেয়ার পরে আমাদের নেতা বৈশ্বিকভাবে সমাদৃত হয়েছে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, বিদেশ সফরে আমাদের নেতা কিছু খারাপ দৃষ্টান্ত এড়িয়ে চলেছেন। আপনারা দেখবেন আগের প্রধানমন্ত্রীকে বিদেশ সফরের আগে ও পরে বিরাট সংবর্ধনা দেয়া হতো। অথচ আমাদের প্রধানমন্ত্রী আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন বিদেশ সফরের আগে ও পরে কোনো ধরনের সংবর্ধনা দেয়া যাবে না। আমাদের নিজে ফোন করে নিষেধ করে দিয়েছেন। উনার বিদেশ সফরে সাকসেস কিন্তু বিরাট। তিনি আরও বলেন, এই সফরের ফলে মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। দেশের অন্যতম প্রধান এবং বন্ধ থাকা শ্রমবাজার পুনরুজ্জীবিত করা, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সেখানে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের স্বার্থ সুরক্ষায় এই সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখবে।

বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে ব্যবসা-বাণিজ্য, বড় অবকাঠামো খাতে নতুন বিনিয়োগ এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব বাড়াতে ১৭টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক সই হয়। তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাসহ নানা সমস্যা নিরসনে চীন চেষ্টা করবেন। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীন উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এই ভিজিটে প্রধানমন্ত্রী একটা মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। এটা আগামীর বাংলাদেশের রাজনীতিতে শুধু নয় বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের কি সম্পর্ক হবে, সেটা নিশ্চিত করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া এবং চীন সফরে অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য জাতীয় সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের রাজনীতিতে কালচারাল পরিবর্তন শুরু করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে যাওয়ার সময় এবং আসার সময় লোকসমাগম করেননি। হাজার লোকের সমাগম করেননি এটা বড় পরিবর্তন। প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরের বেঞ্চমার্ক কনফার্ম করেছেন যেটা বিএনপি’র রাজনীতিতে সব সময় ছিল। আমরা কোথাও কম্প্রমাইজ করবো না। আমরা সম্পর্ক কাজে লাগানোর জন্য প্রস্তুত।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, মালয়েশিয়ায় আমাদের এনার্জি ও শ্রমবাজারের বড় একটা ইন্টারেস্ট রয়েছে। পাশাপাশি ট্রেড-ইনভেস্টমেন্টের একটা ইন্টারেস্ট রয়েছে। চীনের সঙ্গে বড় ট্রেডের বিষয় আছে, এ ছাড়া অবকাঠামো উন্নয়নের একটা সম্পর্ক আছে। চীনের সঙ্গে ট্রেড গ্যাপ পূরণ করে রপ্তানি বাড়াবো। এই বিষয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে। চীন ও মালয়েশিয়া সফরের ভিত্তি ছিল পররাষ্ট্রের ওপর ভিত্তি করে।
অন্যদিকে ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা সত্যিকার অর্থে একটি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি দেখতে চাই, বাস্তবায়ন করতে চাই। এক্ষেত্রে বিরোধী দল হিসেবে আমাদের যেটুকু করণীয় আমরা সরকারকে আশ্বস্ত করছি, আমরা সকল সহযোগিতা করবো।

মালয়েশিয়া ও চীনকে বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বাংলাদেশ আমদানিনির্ভর দেশ। আমাদের রপ্তানির চেয়ে আমদানি অনেক বেশি। আমাদের রপ্তানির দুই মূল খাত তৈরি পোশাক ও ম্যানপাওয়ার। এখানে বৈচিত্র্য আনার যথেষ্ট সুযোগ আছে। সেজন্য সংক্ষিপ্ত, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা দরকার।
শফিকুর রহমান আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রী তার সফরে এ বিষয়গুলো মাথায় রেখে দু’টি দেশের মধ্যে আলোচনা করেছেন। অন্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের যত চুক্তি হবে, সেগুলো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার স্বার্থে সংসদে নিয়ে আসা ভালো হবে। বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আমাদের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতিতে কেউ হস্তক্ষেপ করুক, এটা আমরা কখনো মেনে নেবো না। দেশের স্বার্থ আগে। সমঝোতা স্মারক বা চুক্তি যাই হোক, সেটা হবে দু’দেশের স্বার্থের ভিত্তিতে।

দেশে ফিরে মা-বাবার কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর
সরকারপ্রধান হিসেবে প্রথম বিদেশ সফর শেষে মা-বাবার কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার দুপুর সোয়া ১২টায় রাজধানীর জিয়া উদ্যানের মাজার কমপ্লেক্সে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর জানিয়েছে, তারেক রহমান তার মা-বাবার কবরের সামনে দাঁড়িয়ে ফাতিহা পাঠ, দোয়া ও মোনাজাত করেন।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর তারেক রহমান প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে গত ২১শে জুন মালয়েশিয়া যান। ওই সফরের আনুষ্ঠানিকতা সেরে পরদিন তিনি পৌঁছান চীনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর তালিয়ানে। সেখানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে গত বুধবার বিকালে তারেক রহমানের বেইজিংয়ে পৌঁছানোর মধ্যদিয়ে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় সফর শুরু হয়।

গত বৃহস্পতিবার গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রীর লি কিয়াংয়ের নেতৃত্বে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়। তাদের উপস্থিতিতে বিনিয়োগ, গণমাধ্যম সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই করে দু’দেশ। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে সেখানে ভোজসভার আয়োজন করেন লি কিয়াং। সেদিন সকালে বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়াতে আরেকটি সমঝোতা স্মারকে সই করে।

সফরের শেষ দিন গত শুক্রবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। সেদিন রাত সোয়া ৮টার দিকে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা।

প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লাগানো হবে ৩টি করে গাছ, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির আওতায় দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের সব সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি করে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হবে। কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এ সংক্রান্ত এক নির্দেশনা জারি করে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ২৯শে জুন সকাল ১০টা ৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।

মাউশি জানায়, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। এর আওতায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন ‘লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস)’ প্রকল্প থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ের সব সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জলবায়ু অনুদান হিসেবে পাঁচ হাজার টাকা করে দেয়া হয়েছে।

এ অর্থ দিয়ে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি ফলদ, একটি বনজ ও একটি ঔষধি গাছ রোপণের পাশাপাশি ব্যানার-ফেস্টুন তৈরি এবং সেমিনার বা র‍্যালির আয়োজন করতে হবে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। অনুষ্ঠানটি বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি গণমাধ্যমে সরাসরি সমপ্রচার করা হবে এবং নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে।

এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কর্মসূচি সফলভাবে আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে, ক্যাম্পাসে জলবায়ুবিষয়ক ব্যানার ও ফেস্টুন টানাতে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বৃক্ষরোপণ উপলক্ষে র‍্যালির আয়োজন করতে নির্দেশ দিয়েছে মাউশি।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন