ইসলামী ব্যাংকিংয়ের প্রসার ও যাকাত টেলিভিশন চাইলেন পার্থ

ইসলামী ব্যাংকিংয়ের প্রসার ও যাকাত টেলিভিশন চাইলেন পার্থ

ফন্ট সাইজ:

ইসলামী ব্যাংকিংয়ের প্রসার, যাকাত নেয়ার জন্য একটি ডাটাবেজ এবং যাকাত টেলিভিশন করার প্রস্তাব দিয়েছেন ভোলা- আসনের সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সভাপতি আন্দালিব রহমান পার্থ। একইসঙ্গে ভোলা উন্নয়নে একটি অথরিটি করারও প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৭ জুন) বিকালে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট আলোচনায় এসব প্রস্তাবনা তিনি তুলে ধরেন জাতীয় সংসদে।

বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে পার্থ বলেন, আমি মদিনা সনদ বা মদিনা স্টেটের কথা বলেছি। সেখান থেকে এ ব্যাপারে আমি বলতে চাই সেটা হলো আমাদের এত বড় একটা ইকোনমি একবার জামায়াতের আমার অপোজিশনের একজন লিডার কারেক্টলি বলেছিলেন উনি ভেঙ্গে বলেননি যাকাতের কথা। যাকাত ইসলামিক ইকোনমি এবং যাকাত প্রটেকশন। বাংলাদেশের যাকাত একটা হিডেন ইকোনমি, আমরা কেউ বলতে পারি না কত টাকা যাকাত দেওয়া হয়। সরকারের আছে যাকাত নেওয়ার একটা ওয়ে আছে বাট সেটা খুব মিনিমাম।

আমি মনে করি বাংলাদেশে একটা ডাটাবেস থাকা উচিত। প্রত্যেকটা নির্বাচনী আসনে কারা যাকাত নিতে পারে সেই নামগুলো একটা ডাটাবেসে রাখা উচিত। যাতে করে আমরা যেই যাকাত দিতে চাই, ইভেন কি প্রবাসীরাও যদি যাকাত দিতে চায়, তাহলে ওই ডেটাবেস অনুসারে তারা ওই যাকাতটা পৌঁছে দিতে পারে। বেশি হলে কত হবে ৫০ লাখ ৬০ লাখ মানুষ আছে প্রত্যেকটা কনস্টিটিয়েন্সিতে যদি ২০ হাজার করে, কিন্তু এতে কী হবে? উই মাস্ট প্রমোট দ্য যাকাত। যেমন আগেই বললাম যাকাত আমাদের ইকোনমির অনেক বড় ব্যাপার। এবং নিশ্চয়ই মানুষ যাকাত দেয়। যাকাতের বাদও দেখেন আপনি মসজিদ, মাদ্রাসা যে হয়, নিশ্চয়ই মুসলমানরা দান করে তাই তো হয়। মানুষ যাকাত দিতে চায় কিন্তু পারে না। আপনি নরমাল ওয়েবসাইট দেখেন। যদি এরকম ওয়েবসাইট আমাদের থাকে যেখান থেকে তাদেরকে আইডেন্টিফাই করতে পারি।

পার্থ বলেন, অনেক প্রবাসী মানুষ আছে। প্রধানমন্ত্রী ইংল্যান্ড ছিলেন দেখবেন আমরা ইংল্যান্ডে আপনার টিভিতে দেখতাম এক ঘণ্টার মধ্যে বাংলা চ্যানেলে সিলেটে কোনও একটা মসজিদে হাজার হাজার পাউন্ড তারা বের করে ফেলত। বিকজ অফ এক্সেসিবিলিটি আমার মনে হয় যারা যাকাত প্রাপ্য তাদেরকে আমাদের এই সুযোগ করে দেওয়া উচিত। এছাড়া একটা যাকাত টেলিভিশন যাতে আমরা ইন্ট্রোডিউস করতে পারি। যাতে বাংলাদেশে যারা যাকাত নিতে পারে যারা প্রাপ্ত তাদেরকে যাকাত যারা দিতে পারে সেই জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিতে পারি। এখন আউট অফ সাইট আউট অফ মাইন্ড অনেকে ইচ্ছা করলেও দিতে পারে না।

যাকাতের সাথে আরেকটা কথা আমার একজন সুদের কথা এটাও আমাকে আমাদের একজন বলে গিয়েছিলেন আমাদের সংসদ সদস্য জামাত ইসলামের উনিও বলে গিয়েছিলেন আমি কারেক্টলি বলি। আমি জানি এই কথা বললে হয়তো আমাকে অনেকে প্রোগ্রেসিভ মনে করবে না এটা হতেই পারে বিকজ আমরা এমনভাবে কনভেনশনাল ব্যাংকিং সিস্টেমে আমরা যেভাবে ঢুকে গিয়েছি এটা আমরা রাতারাতি পরিবর্তন করতে পারবে না। কিন্তু এটা সত্যি কথা যে পৃথিবীতে এখন ইসলামিক ব্যাংকিং ইজ দ্য ট্রেন্ড। আপনি ইংল্যান্ডে যান এটা সত্যি কথা। পার্থ বিশ্বের বিভিন্ন ব্যাংকের উদাহরণ টানেন এ সময়।

ভোলাকে ইকোনমিক জোন দাবি করে পার্থ বলেন, একটা বাড়িতে যদি তিনটা বাচ্চাকাচ্চা থাকে বা তিনজন বাচ্চা থাকে, তিনজন সন্তান থাকে আর একজন সন্তান যদি অংকে ভালো হয় বাবা-মা তার জন্য একটা এক্সট্রা টিচার দেয়। তার মানে এই না বাবা মা অন্য কাউকে অপছন্দ করে। বাট ওই মেরিটটাকে সম্মান করে। আমার ভোলাতে ১.৩ ট্রিলিয়ন কিউবেক মিটার গ্যাস আছে আমাকে একটু অংকের টিচারের মত আলাদা করে দেখা উচিত। আই অ্যাম ইন্টেলিজেন্ট, ডক্টর, ইঞ্জিনিয়ার, আমি গ্যাসে, পরিপূর্ণ। আপনি আমাকে চালু করেন, আমি মন্ত্রীদের পিছে পিছে কাউকে বলি আমাকে একটা এয়ারপোর্ট দেন কাউকে বলি আমি একটা তেল দেয়, কালকে বলি কালকে বলি আমাকে একটু এয়ারপোর্ট করে দেন, আমাকে বিশ্ববিদ্যালয় এবং আমার ভোলা ব্রিজ সেতু। অনেকেই এটা কনফিউশন যে এই বাজেটের মধ্যে কেন ভোলা বরিশাল সেতুর কথা আসলো না? আমি ভোলাবাসীর জন্য ঢাকায় আসার জন্য এয়ারপোর্টে চাচ্ছি না। এই ইনফ্রাস্ট্রাকচার যে নদী ভাঙ্গানোর জন্য আমাদের সাহেবের মন্ত্রীদের আমার পিছে ঘোরা উচিত।

ভোলার উন্নয়ন হলে তার প্রভাব উল্লেখ করে পার্থ বলেন, মন্ত্রী আমার পিছে পিছে ঘুরবে পার্থ ভাই, ভোলার মানুষের ঘুম ভাঙবে হেলিকপ্টারের আওয়াজে। বিলিনিয়ার আসবে ভোলাতে। আমি ভোলাকে তো সেভাবে চাই। ভোলা মাস্ট বি দ্য ওয়ার্কশপ অফ বাংলাদেশ, ভোলা মাস্ট বি দ্য তামিলনাডু অফ ইন্ডিয়া, ভোলা ভোলা মাস্ট বি দ্য সোলজ অফ চায়না। আপনারা ভোলাকে আলাদা ভোলা ডেভেলপমেন্ট কমিটি করেন। এয়ারপোর্ট আমি কেন চাচ্ছি যাতে, একটা বিদেশি যখন ইনভেস্ট করতে আসে তখন সে ইনফ্রাস্ট্রাকচারের কথা জিজ্ঞেস করে। আমি ভোলা আর ঢাকায় আসার জন্য প্লেন চাই না।

ভোলাকে আপনারা ইউজ করেন। ভোলা কুডবিদা হার্ট অফ ইকোনমি অফ কান্ট্রি আর এই কারণে আমাদের ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট অনেক দরকার। আমি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করব যে ভোলা ডেভেলপমেন্ট কমিটি নামে একটা কমিটি যদি করে ভোলাকে আলাদা বরাদ্দ বা ভোলার আলাদা জিনিসগুলো এবং আমাকে যদি যেহেতু আমি সরকারের পার্ট না আমি আমি কোনও মন্ত্রী বা আমার কোনও এক্সিকিউটিভ পাওয়ার নাই। আমাকে এরকম একটা এক্সেসিবিলিটি করে দেওয়া যাতে, আমি আমার কাজগুলো খুব তাড়াতাড়ি বের করে নিয়ে আসতে পারি। পার্থ চুক্তির বিষয়ে জানতে চেয়ে তার বক্তব্য শেষ করেন।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন