আত্মবিশ্বাসী নরওয়ে সেনেগাল শিবিরে অস্থিরতা

ফন্ট সাইজ:

একদিকে আত্মবিশ্বাসে টগবগে নরওয়ে, অন্যদিকে মাঠের বাইরের নানা বিতর্কে অস্থির সময় কাটছে সেনেগালের। এমন ভিন্ন দুই বাস্তবতা নিয়েই বিশ্বকাপের ‘আই’ গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে দল দুটি। প্রথম ম্যাচে ইরাককে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে নকআউটের পথে এগিয়ে রয়েছে নরওয়ে। আর ফ্রান্সের কাছে ৩-১ গোলে হারের পর শুধু পয়েন্ট টেবিলেই নয়, ড্রেসিংরুমের পরিবেশ নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়েছে সেনেগাল। নানা বিতর্ক ঘিরে ধরেছে সাদিও মানের দলকে।

প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয়ের পর নরওয়ের খেলোয়াড়রা কিছুটা বিশ্রামের সুযোগ পেয়েছিলেন। কেউ কেউ ঘুরে এসেছেন নিউইয়র্ক থেকেও। তবে এখন পুরো মনোযোগ সেনেগাল ম্যাচে। দলের সহকারী কোচ ব্রেদে হ্যাঙ্গেলান্ড স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ছুটি শেষ, এবার শুধু কাজের সময়। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘এখন থেকে আমরা পুরোপুরি সেনেগাল ম্যাচের প্রস্তুতিতে মনোযোগ দিচ্ছি।’

নরওয়ের এই আত্মবিশ্বাসের বিপরীতে সেনেগাল শিবিরে চলছে অস্বস্তির আলোচনা। আফ্রিকান সংবাদমাধ্যম স্পোর্টস নিউজ আফ্রিকা পরিস্থিতিকে ‘টাইম বোমা’ বলে আখ্যায়িত করেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, টুর্নামেন্ট ও আফ্রিকান চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে পাওয়া বোনাসের অর্থ বণ্টন নিয়ে খেলোয়াড়দের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে দলের আবাসন ও খাবারের মান নিয়েও নাকি তারা সন্তুষ্ট নন। এমনকি কয়েকজন খেলোয়াড় নিয়মিত বাইরে থেকে খাবার আনিয়ে খাচ্ছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
এর সঙ্গে যোগ হয়েছে কোচ পাপে থিয়াওয়ের চুক্তি ও বেতনসংক্রান্ত অনিশ্চয়তা। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, তিনি কয়েক মাস ধরে বেতন পাননি এবং এখনো নতুন চুক্তির অপেক্ষায় আছেন। যদিও এসব অভিযোগ আগেই অস্বীকার করেছে সেনেগাল ফুটবল ফেডারেশন। কিন্তু খেলোয়াড়দের শরীরী ভাষায় স্পষ্ট, ড্রেসিংরুমের পরিবেশ মোটেও ভালো যাচ্ছে না সেনেগালের।

বিশ্বকাপে নরওয়ে-সেনেগালের এটাই প্রথম সাক্ষাত। এর আগে একবার প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয় দু’দল। ২০০৬ সালের ওই লড়াইয়ে ২-১ গোলে জেতে আফ্রিকানরা।


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন