দেশের শ্রেষ্ঠ চা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ বছর জাতীয় চা পুরস্কার-২০২৬ এর জন্য মনোনীত হয়েছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের শ্রীগোবিন্দপুর চা বাগান। জাতীয় চা পুরস্কার নীতিমালা-২০২২ অনুযায়ী একর প্রতি সর্বোচ্চ উৎপাদনকারী চা বাগান ক্যাটাগরিতে এ বছর শ্রীগোবিন্দপুর চা বাগান এই পুরস্কারে ভূষিত হয়। আজ জাতীয় চা দিবসের দিন প্রতিষ্ঠান প্রধানের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেয়া হবে। চায়ের রাজধানীখ্যাত শ্রীমঙ্গলে আজ পালিত হবে ‘জাতীয় চা দিবস-২০২৬। দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে চা শিল্পের ভূমিকা বিবেচনায় প্রতি বছরের ন্যায় এবারো বাংলাদেশ চা বোর্ডের আয়োজনে সকালে শ্রীমঙ্গলস্থ জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আলোচনা ও জাতীয় চা পুরস্কার-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান, বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন চা বাগানের মালিক ও প্রতিনিধি, বাংলাদেশ চা বোর্ডসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ চা শিল্পের মর্যাদাপূর্ণ এ পুরস্কার অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে শ্রীগোবিন্দপুর চা বাগানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিল্পপতি মো. মহসিন মিয়া মধু বলেন, ‘চা শিল্প বিকাশে তার মালিকানাধীন শ্রীগোবিন্দপুর চা বাগান দেশের আর্থিক খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। আজ যে পুরস্কারের জন্য আমার প্রতিষ্ঠান মনোনীত হয়েছে, তার কৃতিত্ব আমার চা বাগান ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত সকল স্টাফ ও চা শ্রমিকদের। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমেই এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।
নিজের শ্রম ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গুণগতমান সম্পূর্ণ চা উৎপাদনের পাশাপাশি চা শ্রমিকদের আবাসন, চিকিৎসা, শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নের আমরা নানাবিধ উদ্যোগ নিয়ে থাকি। শ্রীগোবিন্দপুর চা বাগানে উৎপাদন হওয়া উন্নত চা সারা দেশে সমাদৃত। যার কারণে প্রতিটি নিলামে আমার বাগানের চা শতভাগ বিক্রি হয়ে যায়। তিনি বলেন, উন্নত চা উৎপাদনের মাধ্যমে প্রতি বছর দেশের আর্থিক খাতে অবদান রাখার পরও গেল ১৭ বছর অবমূল্যায়ন করা হয়েছিল আমার প্রতিষ্ঠানকে। সঠিক মূল্যায়নের মাধ্যমে এ বছর স্বীকৃতিস্বরূপ চা পুরস্কার-২০২৬ প্রদানের জন্য তিনি জাতীয় চা বোর্ডকে ধন্যবাদ জানান।
