ডুমুরিয়ায় প্রশাসন ও পাউবি’র তদারকিতে রক্ষা পেলো আবাসনের ১৯ পরিবার

ডুমুরিয়ায় প্রশাসন ও পাউবি’র তদারকিতে রক্ষা পেলো আবাসনের ১৯ পরিবার

ফন্ট সাইজ:

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসন ও যশোর পাউবি’র তদারকিতে রক্ষা পেলো আবাসন প্রকল্পের ক্ষতিগ্রস্ত ১৯টি পরিবার। জানা যায়, আবাসন প্রকল্প-২ এর অধীনে উপজেলায় সহস্রাধিক ঘর নির্মাণ করা হয়। প্রত্যেকটি ঘরের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ২ লাখ ৮৫ হাজার ৫০০ টাকা। জানা যায়, বিগত সরকারের আমলে ভদ্রা নদীর তীরে ভূমিহীনদের জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর অধীনে ১৪৫টি ঘর। প্রত্যেকটা ভূমিহীন পরিবারকে দেয়া হয়েছিল ২ শতক জমিসহ একটি বাড়ি। ইতিমধ্যে জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য আপার ভদ্রাসহ মোট ছয়টি নদী খননের কাজ চলমান রয়েছে। সেই ভদ্রা নদী খননের ডিজাইন অনুযায়ী আবাসনের ঘরগুলো নদীর আওতায় পড়েছে। জানা যায়, কপোতাক্ষ নদ ও তৎ সংলগ্ন জলাবদ্ধতা নিরসনের (২য় পর্যায়) (১ম সংশোধনী) প্রকল্পের অধীনে ছয়টি নদী খননের কাজ চলমান রয়েছে। তার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১৪০ কোটি টাকা।

সম্প্রতি ফুলবাড়িয়া বরাতিয়া এলাকার ১৯টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে বরাতিয়ার ১৩টি ও কাঁঠালতলার ৬টি ঘর। গত কয়েকদিন আগে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিয়োগকৃত ঠিকাদারের খননকারী ঘরের উপর মাটি ফেললে বসবাসকারী পরিবারগুলো দিশাহারা হয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিক উপজেলা প্রশাসন পাউবি’র কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে পরিদর্শন করেন। প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থার সঙ্গে কথা বলে দ্রুত মাটি অপসারণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নদী খননকারী ঠিকাদারের এস্কেভেটর ও ডাম্প ট্রাক মেশিন দিয়ে ঘর এলাকা থেকে মাটি অপসারণ ও ঘর মেরামতের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত ও অতিরিক্ত সচিব খোন্দকার আজিম আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পাউবি নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী বলেন, আমি নিয়মিত কাজ পরিদর্শন করি। গত ১৩ই জুন সকালে পরিদর্শনের সময়ও ঠিক ছিল। পরদিন সকালে দেখি খননকারী লোকজন ঘরের উপর মাটি ফেলেছে। তখন বাস্তবায়নকারী সংস্থা উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত মাটি অপসারণের কথা বলি। বিষয়টি নিয়ে কথা বললে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবিতা সরকার মানবজমিনকে বলেন, আমি জানামাত্র পাউবি নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলেছি ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। দুই-একদিনের মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা করি। চুকনগর আবাসনের কয়েকটি পরিবার মাঠের ভেতর বসবাস করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের জন্য অন্য জায়গায় ঘর দেখা হয়েছে। তাদের পুনর্বাসনের বিষয়টি নিয়ে আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন