ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। অধ্যাপক পদে আবেদনের সময় জমাকৃত প্রবন্ধে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ‘অতি জরুরি’ উল্লেখ করে অফিস আদেশ জারি করেন। আদেশে বলা হয়, ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মো. রিদওয়ানুল হকের বিরুদ্ধে অধ্যাপক পদে আবেদনের সময়ে জমাকৃত প্রবন্ধে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এ কারণে বিষয়টি তদন্তে নিম্নোক্ত পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। ডেপুটি রেজিস্ট্রার (তদন্ত) স্বাক্ষরিত এই আদেশ আইন অনুষদের ডিন, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন, প্রক্টর ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষকে পাঠানো হয়েছে। চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ প্রমাণিত হলে আক্রান্ত অধ্যাপকের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানা যায়।
প্রসঙ্গত, অধ্যাপক রিদওয়ানুল হক অতীতে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত শিক্ষক রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন সময় নীল দলের কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের মাধ্যমে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন বলে অভিযোগ আছে। শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশিত একটি ফেসবুকের সমন্বয়ক ও প্রধান লেখক ছিলেন। এ ছাড়া অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নোবেল পুরস্কার প্রত্যাহারের দাবিতে দেয়া বিবৃতিতেও তিনি স্বাক্ষর করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়াও মহিলা শিক্ষককে হেনস্থা করার অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।
