নোয়াখালীর হাতিয়ার জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে এক কিশোরীকে (১২) একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ারকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর আগে গত শনিবার ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার মায়ের বক্তব্যসংবলিত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে জাহাজমারা পুলিশ তদন্তকেন্দ্র থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তদন্ত কমিটির প্রধান আহমেদ পেয়ার বলেন, দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করা সমীচীন হবে না। ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তা তাকে নির্যাতন করেছেন। অভিযোগের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
