চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহের কারণে বরিশাল মহানগরীকে কয়েক দিন যাবৎ ব্যাপক লোডশেডিং হচ্ছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টার ৪ ঘণ্টাই লোডশেডিং হয়েছে। রাতে অবস্থা আরও নাজুক। এতে আবাসিক এলাকাসহ ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা নেমে এসেছে। ওজোপাডিকোর বরিশাল গ্রিড অফিস থেকে জানা গেছে, মহানগরীতে চাহিদা ১০০ মেগাওয়াট। মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিদ্যুৎ পাওয়া গেছে ৫৯ মেগাওয়াট। আর বিকালে বরাদ্দ আরও কমে পাওয়া গেছে ৫০ মেগাওয়াট। শুধু বরিশালই নয়, বরিশাল ওজোপাডিকোর বরিশাল অঞ্চলেই বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে।
জানা গেছে, গত তিনদিন ধরে বরিশাল মহানগরীর ৬টি ৩৩/১১ কেভি সাব-স্টেশন থেকে মহানগরী ছাড়াও ঝালকাঠী জেলা সদরসহ কয়েকটি উপজেলাতে প্রায় দেড়শ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে দিনরাতই ২৫-৩০ ভাগ পর্যন্ত বিদ্যুৎ ছাঁটাই করা হচ্ছে। ফলে বরিশাল বিভাগীয় সদরের প্রতিটি এলাকাতেই ৪-৬ ঘণ্টা পরে এক ঘণ্টা করে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং হয়েছে। দিন রাত ভয়াবহ এ লোড শেডিংর কারনে জনজীবনে স্থবিরতা নেমে এসেছে। অসহ্য গরমের মধ্যে লোড শেডিং এর মানুষ অস্থির হয়ে পড়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে নেমে এসেছে স্থবিরতা।
